শনিবার নদিয়ার রাণাঘাটের গাংনাপুরে তৃণমূলের এক কর্মি সভায় বিজেপি কর্মীদের কেউটে সাপ বলে সম্বোধন করে দেখতে পেলে মাথায় বাড়ী মেরে জব্দ করার নিদান দেন পাচন প্রনেতা অনুব্রত মণ্ডল।
আবার বিতর্কিত মন্তব্য অনুব্রত মন্ডলের।দলীয় কর্মীদের বাড়ী বাড়ী নকুলদানা বিলি ও বাড়ীর সামনে ধুপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকার পাশাপাশি এবার নাম না করে বিজেপি কর্মীদের কেউটে সাপ বলে সম্বোধন করে মাথায় বাড়ী মেরে জব্দ করার নিদান অনুব্রত মন্ডলের।শনিবার নদীয়ার রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রুপালি বিশ্বাসের সমর্থনে রানাঘাট 2 নম্বর ব্লকের গাংনাপুরে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলীয় কর্মীদের এই নিদান দেন অনুব্রত মন্ডল।তিনি বলেন,ভারতের দুর্দিন,তাই মোদিকে হটাতে হবে,রুপালি বিশ্বাসকে জেতাতে হবে।কারণ এরা কাল কেউটে সাপ,এদের প্রশ্রয় দেবেন না।দেখতে পেলে মাথায় বাড়ী মারুন তবে এরা জব্দ হবে।পাশাপাশি কর্মীদের এলাকায় বাড়ী বাড়ী নকুলদানা দেওয়ার ও দূরে ধুপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকারও নিদান দেন তিনি।কর্মীদের সরাসরি বলেন,যেমন ব্যবহার করবে তেমন জবাব দিন,আমরা আছি।
বিজেপি কর্মিরা কেউটে সাপ প্রসঙ্গে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সভাপতি ভাস্কর ঘোষ বলেন , "বিজেপি কর্মিরা কেউটে সাপ নিজেদেরকে মনে করে না।আর যদি কেউ মনে করে বিজেপি কর্মিরা কেউটে সাপ তার মানে তাঁরা ঐ জাতীয় কোন একটা সাপ। আর বিজেপি বেজি হয়ে তাঁদের মাথা মুড়িয়ে খাবে।বেজি আর সাপের তো লড়াই হয় , সাপের মাথাটাই বেজি আগে খায়।নিজেরা হেলে সাপ তো।আর হেলে সাপ মারতে বেজির বেশি সময় লাগবে না , এই লোকসভা নির্বাচনে তাঁর প্রমাণ পেয়ে যাবে। বেজির সঙ্গে যেন লড়াই করতে না আসে।আর নদীয়া জেলা চৈতন্য মহাপ্রভুর জেলা। এটা অনুব্রত বাবুও স্বীকার করেছেন। আর আজ এই এলাকায় তাঁর অসামাজিক কথা বলার কারণে ভগবানও সেটা সহ্য করতে না পেরে তাঁর নকুলদানায় অঝোরে বৃষ্টি ঝরিয়ে নদিয়াকে শান্ত করে দিয়েছে"।
নদিয়া জেলার বিজেপি দক্ষিণের সভাপতি জগন্নাথ সরকার বলেন , "আসলে অনুব্রতর মাথায় অক্সিজেন সবসময় যায় না , আর চোখমুখ দেখে ওকে সুস্থ বলেও মনে হয় না সেই কারণে ও জগাই মাধাই দলের লোক আসলে। আর অন্যদিকে বিজেপি ভারতীয় সংষ্কৃতি বা বৈদান্তিক দর্শনের কথাই বলে , চৈতন্যের কথাই বলে।সেকারণে ঐ জগাই মাধাইকে উদ্ধারের জন্য আমরা চৈতন্যরূপে আছি , আর যতদূর জানি ও আগাম কিছুটা খোল করতাল কিনেও রেখেছে।তৃণমূল তো ক্ষমতা হারাবে।সেইসময় ও কাজকর্ম করে খেতে পারবে না , তাই আগামীদিনে ওর কীর্ত্তন করে খাবার ব্যাবস্থা আমরা করে দেব এবং চৈতন্যের দীক্ষায় দীক্ষিত ও করে দেব"।

No comments