প্রেসকার্ড নিউজ, বিনোদনঃ নারীশরীর এমনিতেই সব
সময় সবার কাছে রহস্যে মোড়া। বিভিন্ন লেখকের লেখা কত গদ্য, উপন্যাসের কেন্দ্র
বিন্দুর সাক্ষী হয়েছে এই নারী শরীর। মহিলাদের স্তনযুগলের সুডৌল গঠনের প্রতি আকৃষ্ট
হননি, এমন পুরুষ দুনিয়ায় খুঁজে পাওয়া
কঠিন। স্তনের আকৃতি,
গঠন নিয়ে
তাঁরা সদা সচেতন। অন্তর্বাস পরার আগে খুঁতখুঁতে হন অশিকাংশ মহিলাই। কিন্তু জানেন, স্তনের প্রতি পুরুষদের এহেন
দুর্নিবার আকর্ষণের কারণ কী? হাফিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে
বিশেষজ্ঞরা বেশ কয়েকটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন।
নারীত্বের প্রতীক হল স্তন। পুরুষদের শরীরে
বিভাজিকা খুব একটা দেখা যায় না। তাঁদের শারীরিক গঠন সোজাসাপটা। অন্যদিকে, মহিলাদের শরীরের সবচেয়ে
আকর্ষণীয় বিভাজিকা রয়েছে তাঁদের বক্ষযুগলেই। ওই ‘কার্ভ’ নারীত্বের প্রতীক, গর্ব, কখনও অহংকারও।
প্রথমত এক সুন্দরী মহিলার সুগঠিত স্তন দেখতে
অত্যন্ত সুন্দর,
দৃষ্টিনন্দন
হয়। মহিলাদের ব্যক্তিত্বে এক অনন্য মাত্রা যোগ করে স্তনের আকৃতি। মহিলাদের শরীরের
যে অংশে পুরুষদের চোখ সবার আগে আটকে যায়, তা হল স্তন।
আদিকাল
থেকেই সুগঠিত,
উর্বর
নারীদেহের প্রতি পুরুষরা আকর্ষিত হয়েছেন। যে মহিলাদের স্তন সুগঠিত, সুউচ্চ ও ভরাট, তাঁদের দেখে পুরুষদের মনে
কামনার স্ফুলিঙ্গ জ্বলে ওঠে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর পিছনে শারীরিক ছাড়াও
রয়েছে খানিকটা মানসিক কারণও।
মহিলাদের স্তনযুগলের ‘শেপ’ ও ‘সাইজ’ বাইরে থেকেই খানিকটা আঁচ করা
যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। পুরুষদের মনে কামনার আগুন জ্বলতে
শুরু করে। পোশাকি ভাষায় একে বলে ‘ভিজুয়াল স্টিমুলেশন’। অর্থাৎ, স্তনের গঠন দেখেই পুরুষদের
কামোত্তেজনা জাগতে শুরু করে দেয়।
নারীশরীরের
অন্দরমহলে প্রবেশপথের দরজা হল তাঁর স্তন। সঙ্গমের আগে স্তনযুগল ছুঁয়ে দেখে পুরুষদের
কামভাব জাগ্রত হয়। অর্গ্যাজমের সূত্রপাত হয়। ধীরে ধীরে সেই কামনার আগুন সারা শরীরে
ছড়িয়ে পড়তে থাকে।
পূর্ণ মিলনের আগে ‘ফোরপ্লে’-র ক্ষেত্রে স্তনের জুড়ি মেলা
ভার। মিলনের আগে স্তন ছাড়া ফোরপ্লে করতে জানেন না অধিকাংশ পুরুষই, এমনটা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। স্তন, বিশেষত স্তনবৃন্ত নিয়ে খেলা
করতে ভালবাসেন রতিক্রিয়ায় পারদর্শী পুরুষরা।
স্তনের
গঠন ও ‘ইলাস্টিসিটি’র জন্য এ নারীঅঙ্গ ছুঁয়ে দেখতেও
ভারী পছন্দ করেন পুরুষরা। যে পুরুষরা প্রেমিকা বা স্ত্রীর স্তন খুব যত্ন সহকারে, ভালোবেসে ছুঁয়ে দেখেন, তাঁদের দায়িত্বশীল বলে মনে করেন
অধিকাংশ মহিলাই।
মহিলাদের পোশাকের নিচে উদ্ধত স্তনের আসল
আকৃতি সম্পর্কে ভাবতে শুরু করে দেন। যতক্ষণ না সেই স্তন সম্পর্কে যাবতীয় রহস্যভেদ
হচ্ছে,
ততক্ষণ
পর্যন্ত একজন স্বাভাবিক পুরুষকে ওই চিন্তা তাড়া করে বেড়ায়।
বেশ
কয়েকটি কারণে পুরুষরা স্তনের মধ্যে শান্তির আশ্রয় খুঁজে পান। দিনভর কাজ, ডিপ্রেশন, চাপ, টেনশনের পর স্তনে মাথা রেখে
শুয়ে থাকতে ভালবাসেন। যে ব্যক্তিরা প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট করে সঙ্গিনীর স্তনে
মাথা রেখে শোন,
তাঁরা
বেশিদিন বাঁচেন এবং সুস্থ থাকেন এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে
এই গবেষণায়।
সুত্রঃ
ইন্টারনেট

No comments