প্রেসকার্ড,বারুইপুরঃ জয়নগর শুট আউট কাণ্ডে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ষোল। রবিবার রাতে সিআইডি ও বারুইপুর জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশান গ্রুপের তদন্তকারী অফিসারেরা গ্রেফতার করে এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত কায়েম মোল্লাকে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ঠাকুরপুকুর এলাকার সি থ্রি বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া একটি হোটেল থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। ধৃতকে সোমবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
গত ১৩ই ডিসেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগণার জয়নগরে ভর সন্ধ্যেবেলায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা সারফুদ্দিন খানকে গুলি করে বোমা মেরে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল আরও দুজনের। ঘটনার ভয়াবহতা দেখে চমকে উঠেছিলেন এলাকার সাধারণ মানুষজন। সেই ঘটনার তদন্ত ভার নেয় সি আই ডি। যদিও ঘটনার পর পরই এই ঘটনায় জড়িত এগারো জনকে ধরে ফেলে জয়নগর থানার পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ধীরে ধীরে গত কয়েকদিনে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ ও সিআইডি। এর পাশাপাশি রবিবার রাতে ঠাকুরপুকুর এলাকার একটি হোটেল থেকে এই শুট আউটের ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত কায়েম মোল্লাকে গ্রেফতার করে সিআইডি ও বারুইপুর জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশান গ্রুপ। পুলিশ সূত্রে খবর ঘটনার শুট আউটের ঘটনার অন্যতম চক্রী ছিলেন এই কায়েম মোল্লা। ঘটনার সময় সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ। তৃণমূল নেতা সারফুদ্দিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী রুকসানা খান যে অভিযুক্তদের তালিকা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন, সেই তালিকায় এই কায়েমের নাম অন্যতম অভিযুক্তের তালিকায় ছিল বলে সুত্রের খবর। ঘটনার পর একাধিক আত্মীয়ের বাড়িতে স্থান পরিবর্তন করে করে থাকছিলেন এই কায়েম মোল্লা। অবশেষে রবিবার রাতে মোবাইল ফোনের সুত্র ধরেই এই কায়েম মোল্লার খোঁজ পায় পুলিশ। আর সেই মোতাবেক ঠাকুর পুকুর এলাকার ঐ হোটেলে হানা দিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে সোমবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনার পিছনে বাকি অভিযুক্ত ও চক্রীদের নাম জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

No comments