প্যান্টে লুকানো ৫১ কচ্ছপ
গত বছরের মাঝামাঝিতে কানাডা সীমান্তে প্রবেশের সময় ৫১টি জীবিত কচ্ছপসহ ধরা পড়েছিল কাই ঝু। এই কানাডীয় নাগরিক যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে এগুলো পাচার করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
গত বছরের মাঝামাঝিতে কানাডা সীমান্তে প্রবেশের সময় ৫১টি জীবিত কচ্ছপসহ ধরা পড়েছিল কাই ঝু। এই কানাডীয় নাগরিক যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে এগুলো পাচার করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
কাই ঝু যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট থেকে কানাডার উইন্ডসর যাওয়ার পথে কানাডীয় সীমান্ত রক্ষীদের হাতে আটক হন। প্রথমবার তল্লাশি শেষে তাকে তো ছেড়েই দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তার প্যান্ডের বেঢপ সাইজ দেখে এক কর্মকর্তার সন্দেহ হয। দ্বিতীয়বা তল্লাশির চালিয়ে তার প্যান্ট এবং গোপন স্থান থেকে বের করা হয ৫১টি জীবিত কচ্ছপ। ছোট আকারের এই কচ্ছপগুলো তিনি বেশ কসরৎ করে টেপ দিয়ে আটকে নিয়েছিলেন নিজের দুই পা এবং উরুসন্ধির সঙ্গে।
এ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের মৎস্য এবং বন্যপ্রাণী বিভাগের কর্মকর্তা কেনেথ অ্যাডামস বলেন,‘দ্বিতীয় দফা তল্লাশির সময় তার প্যান্টের ভিতরথেকে ৫১টি জীবিত কচ্ছপ উদ্ধার করা হয। ৪১টি কচ্ছপ নিজের দু পায়ের সঙ্গে এবং বাকি ১০টি পায়ের মাঝখানে গোপনাঙ্গের ফাঁকে লুকিয়ে রেখেছিলেন।’
উদ্ধার শেষে এগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে কানাডা কর্তৃপক্ষ। ইস্টার্ন বক্স জাতের এই কচ্ছপগুলো অত্যন্ত মূল্যবান। এগুলোর এক একটির দাম ৮শ মার্কিন ডলার(বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৩ হাজার টাকা)।
এ ঘটনায় টরেন্টোর বাসিন্দা ঝুয়ের সহযোগী লিহুয়া লিকেও আটক করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল আদালতে তাদের বিচার শুরু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চোরাচালান, অবৈধ ব্যবসা এবং পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রত্যেকের দশ বছর করে জেল হবে।
জানা যায়, ডেট্রয়েট অঅন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছের এক হেটেলে ওঠেছিলেন ঝু। সেখানে তিনি দু রাত কাটান। সেখানেই জন্তুগুলোকে প্যাকেটে ভরে তার পায়ের সঙ্গে টেপ দিয়ে ভালোভাবে বেধে নেন।

No comments