ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে বিদায় নিচ্ছে ২০১৪ সাল। এ বছর যুদ্ধ-বিগ্রহ, খুন খারাপিসহ নানা দুর্ঘটনা যেমন ঘটেছে মজার ঘটনাও নেহাত কম ঘটেনি। সোস্যাল মিডিয়ার কল্যানে সেগুলো ব্যাপক সাড়াও ফেলেছে।
পহেলা অক্টোবর সাড়ম্বরে পালিত হয়েছে চীনের জাতীয় দিবস। অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়েছিল কয়েক হাজার পায়রা উড়ানোর মধ্য দিয়ে। এর আগে এই পাখিগুলোকে নিয়ে চীনা সরকার যেসব কাণ্ড করেছে তা খুঁটিয়ে লিখতে গেলে আর একটা মহাভারত হয়ে যাবে।
বেইজিংয়ের স্থানীয় চার পায়রা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল দশ হাজার পায়রা। এক একটি পায়রার জন্য তাদের দেয়া হয়েছিল চীনা মুদ্রায় ৪ ইয়েন(৬৫ সেন্ট)। এরপর শুরু হয় প্রশিক্ষণ। দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময ধরে চলে পায়রা প্রশিক্ষণ ।
প্রশিক্ষণ শেষ। কিন্তু প্রশ্ন হল, উড়ানোর জন্য এগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ তো, এগুলোর গায়ে কোনো বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হযনি তো? ব্যাস, শুরু হল এদের দেহ তল্লাশি। অনুষ্ঠানের আগের দিন পাখিগুলোর লেজ, ডানা, পা এবং গুহ্যদ্বার খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। সে এক মহাযজ্ঞ! ১০ হাজার কবুতরের দেহ তল্লাশি কি মুখের কথা। সারা রাত ধরে চলে এই পরীক্ষা। শুধু কি তাই, প্রতিটির গায়ে আবার পুশ করা হয় বার্ড ফ্লু রোগের প্রতিশোধক। সকল আনুষাঙ্গিক প্রস্তুতি শেষ হতেই চারটি ট্রাকে করে এদেরকে তিয়েনমেন স্কয়ারে নিয়ে আসা হয়। পহেলা অক্টোবর সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে উত্তোলিত হতে থাকে চীনা পতাকা। পাশাপাশি আকাশে উড়িয়ে দেয়া হয় প্রশিক্ষিত পায়রাগুলোকে।
কিন্তু মজার ব্যাপার হল উড়ানোর মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই নাকি সেগুলো নিজেদের মালিকের কাছেই ফিরে আসে।প্রশিক্ষণটা তাহলে জব্বর হয়েছে, কী বলেন!
পহেলা অক্টোবর সাড়ম্বরে পালিত হয়েছে চীনের জাতীয় দিবস। অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়েছিল কয়েক হাজার পায়রা উড়ানোর মধ্য দিয়ে। এর আগে এই পাখিগুলোকে নিয়ে চীনা সরকার যেসব কাণ্ড করেছে তা খুঁটিয়ে লিখতে গেলে আর একটা মহাভারত হয়ে যাবে।
বেইজিংয়ের স্থানীয় চার পায়রা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল দশ হাজার পায়রা। এক একটি পায়রার জন্য তাদের দেয়া হয়েছিল চীনা মুদ্রায় ৪ ইয়েন(৬৫ সেন্ট)। এরপর শুরু হয় প্রশিক্ষণ। দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময ধরে চলে পায়রা প্রশিক্ষণ ।
প্রশিক্ষণ শেষ। কিন্তু প্রশ্ন হল, উড়ানোর জন্য এগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ তো, এগুলোর গায়ে কোনো বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হযনি তো? ব্যাস, শুরু হল এদের দেহ তল্লাশি। অনুষ্ঠানের আগের দিন পাখিগুলোর লেজ, ডানা, পা এবং গুহ্যদ্বার খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। সে এক মহাযজ্ঞ! ১০ হাজার কবুতরের দেহ তল্লাশি কি মুখের কথা। সারা রাত ধরে চলে এই পরীক্ষা। শুধু কি তাই, প্রতিটির গায়ে আবার পুশ করা হয় বার্ড ফ্লু রোগের প্রতিশোধক। সকল আনুষাঙ্গিক প্রস্তুতি শেষ হতেই চারটি ট্রাকে করে এদেরকে তিয়েনমেন স্কয়ারে নিয়ে আসা হয়। পহেলা অক্টোবর সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে উত্তোলিত হতে থাকে চীনা পতাকা। পাশাপাশি আকাশে উড়িয়ে দেয়া হয় প্রশিক্ষিত পায়রাগুলোকে।
কিন্তু মজার ব্যাপার হল উড়ানোর মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই নাকি সেগুলো নিজেদের মালিকের কাছেই ফিরে আসে।প্রশিক্ষণটা তাহলে জব্বর হয়েছে, কী বলেন!

No comments