ফেসবুক যেন দিন দিন মানুষকে হয়রানির মোক্ষম অস্ত্র হয়ে উঠছে। মাধ্যমটিতে যারা নানাভাবে লাঞ্চিত হন তাদের বেশিরভাগই নারী। সম্প্রতি ভারতে ঘটেছে এমন একটি ঘটনা। একজন প্রকৌশলী ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেন এক শিক্ষিকার সঙ্গে। এই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন।
তাদের দুজনের পরিচয় হয় ফেসবুকে। ফেসবুকের সেই সম্পর্ককে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে একদিন শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করতে চান অভিযুক্ত প্রকৌশলী। তারপর দেখা হলে শিক্ষিকাকে জোর করে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
এখানেই ঘটনার শেষ নয়। ধর্ষণ করার পর ভিডিওচিত্র ধারণ করে রাখেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। সেই ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন শিক্ষিকা ‘বান্ধবী’কে ব্ল্যাকমেইল করতেন। অবশেষে ধর্ষণের অভিযোগে ২৮ বছর বয়সী সেই প্রকৌশলী গ্রেফতার হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে। দিল্লির পুলিশ কর্মকর্তা বিজয়ন্ত আর্য জানান, অভিযুক্ত ওই প্রকৌশলীর নাম কিষাণ। ধর্ষণের অভিযোগে তাকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এবং ৬৭ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
নির্যাতিত শিক্ষিকা পুলিশকে বলেছেন, ২০১৭ সালের অক্টোবরে কিষাণের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয়। তারপর থেকে দুজনের মধ্যে কথা চলতে থাকে। সেই ব্যক্তি একদিন দেখা করার নামে আদর্শ নগরের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে।
শিক্ষিকা আরও জানান অভিযুক্ত প্রকৌশলী তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু দিনের পর দিন বিয়ের তারিখ পেছাতেই থাকেন নানান অজুহাতে। তিনি একদিন জানতে পারেন, ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে আপলোড হয়েছে।
এটা জানার পর থেকেই তিনি ভিডিওগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ করেন। কিন্তু তার অনুরোধ রাখেনি আভিযুক্ত ব্যক্তি। নিরুপায় ওই নারী পরে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। পুলিশ অভিযুক্তের ফোন তল্লাশি করে জানতে পারে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভিডিও আপলোড করেন অভিযুক্ত কিষাণ।
from Breaking Kolkata http://bit.ly/2Iu53Xc
from DNAবাংলা http://bit.ly/2YX4kE1

No comments