Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

Recent

মা-ছেলের প্রেমের ফসল!

পৃথিবীতে প্রেম কাহিনীর শেষ নেই। বিশ্ব বিখ্যাত প্রেম কাহিনী যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে প্রেমের মিথ্যা গল্প। তবে প্রেম মানে না বয়স, গোত্র বা সীমানা। ক্যালিফোর্নিয়ার বেন ফোর্ড এমন এক প্রেম সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন যা সমাজের সব রীতি নীতি উপ…



পৃথিবীতে প্রেম কাহিনীর শেষ নেই। বিশ্ব বিখ্যাত প্রেম কাহিনী যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে প্রেমের মিথ্যা গল্প। তবে প্রেম মানে না বয়স, গোত্র বা সীমানা। ক্যালিফোর্নিয়ার বেন ফোর্ড এমন এক প্রেম সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন যা সমাজের সব রীতি নীতি উপেক্ষিত হয়েছে।

৩২ বছর বয়স্ক বেন প্রেম করেছেন ৫২ বছরের কিমের সঙ্গে। এটা তেমন কোনো বিষয় ছিল না, যদি না তাদের মধ্যে আগে সম্পর্ক থাকতো। আর যে সে সম্পর্ক নয়, তারা মা-ছেলে। এবার অবাক হচ্ছেন তো। বিষ্ময়ে নিঃশ্বাস নিতে ভুলে যাচ্ছেন নাতো। তাই যদি হয় তাহলে আপনাকে একটু বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতেই হবে। কেননা এখনো অনেক কিছুই বাকি।

মা-ছেলে হলেও তাদের মধ্যে রীতিমতো শারীরিক সম্পর্ক চলছে। শুধু তাই নয়, কিম নিজের ছেলের সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন। অর্থাৎ কিম একই সঙ্গে মা এবং দাদী হচ্ছেন।

এবার জেনে নেওয়া যাক মূল ঘটনা। বেন ছিলেন কিমের দত্তক নেওয়া পুত্র। লন্ডনে বড় হয়েছেন বেন। গত ডিসেম্বরে বেনের কাছ থেকে একটা চিঠি পান কিম। বেন এখন তার আসল বাবা মায়ের খোঁজ করছে বলে কিমকে জানান।

যখন বেন এ চিঠি পাঠিয়েছিলেন তখন তিনি কলোরোডায় বাস করতেন। শুধু তাই নয়, তার একটা সুখী পরিবারও ছিল। চিঠি পাওয়ার পর কিম ছেলের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। এক মাস পর মা ও ছেলের সাক্ষাতের ব্যবস্থা হয়। সেখানে তারা কিস বিনিময় করে, সে সঙ্গে শ্যাম্পেন উৎসবও করে।

এই ঘটনার পর বেন তার স্ত্রীকে ছেড়ে যায় এবং মায়ের সঙ্গে মিশিগানে বসবাসের চিন্তাভাবনা চূড়ান্ত করে ফেলে। আর তখন ঘটে যায় অন্যরকম কিছু। তাদের চোখের ভাষাটা তখন মোটেও স্বাভাবিক ছিল। তারা দুইজন নিজেদের মধ্যে অন্যরকম এক আকর্ষণ বোধ করে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়তে থাকে এবং সম্পর্ক অন্য পর্যায়ের দিকে গড়াতে থাকে। এক সময় তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্কও গড়ে ওঠে।

হ্যাঁ এটাই সত্যি। এ ঘটনাকে কিম ‘ইনসেস্ট’ বলে মানতে রাজি নন। তার ভাষায় এটি ‘জেনেটিক সেক্সুয়াল অ্যাট্রাকশন’। কিম বলেন, ‘আমি জানি আমাদের সম্পর্ক নিয়ে মানুষ বিব্রত বোধ করবে। তবে আমরা একে অপরকে ছেড়ে যেতে চাই না।’ বেন বলেন, ‘যখন আমি কিমের সঙ্গে সাক্ষাত করি, তখন আমি তাকে মা হিসেবে দেখিনি, বরং তাকে অন্য চোখে দেখি।’

আমেরিকায় এ ধরণের বিয়ের নিয়ম না থাকলেও তারা বিয়ে করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ব্যাপারটা মোটেও সহজ হবে না। কেউ তাদের বিপক্ষে অভিযোগ করলে তাদের গ্রেফতার করা হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিশ্চিতভাবে ১৫ বছরের জেল। এ সব নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নন বেন ও কিম। কেননা তারা মিশিগান ছেড়ে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন।


from Daily Bangla http://bit.ly/2LcXxDi


from DNAবাংলা http://bit.ly/2GTh73m

No comments