বোমা, বন্দুক নিয়ে সঙ্গীদের সঙ্গে ফিল্মি কায়দায় প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মেয়েকে অপহরণকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে জামাইয়ের সঙ্গীদের হাতে প্রহৃত হয়েছেন শ্বশুর ও শ্যালক সহ বাড়ির অন্যান্যরা। সোমবার রাতে দিনহাটা থানার ওকড়াবাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত শ্বশুর ফজলু রহমান, শ্যালক নাজিমুল হক সহ চার জনকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ, জামাই খাজা মইনউদ্দিন চিস্তির নেতৃত্বে একদল গুণ্ডা গভীর রাতে বোমা বন্দুক তিরধনুক নিয়ে তাঁর প্রথম পক্ষের স্ত্রী রেহেনা বিবিকে পুত্র সহ জোর করে তুলে নিয়ে যায়। তাদের বাধা দেওয়াতে নাজিমুল সহ চারজনকে মারধর করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দিনহাটা থানার আই সি সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মা ও ছেলের এখনও খোঁজ মেলেনি। নাজিমুল হকের পরিবারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। রেহেনা নাজিমুল হক বলেন, জামাইবাবুর নেতৃত্বে রাতে দিদির বাড়িতে আক্রমণ হয়। দরজা ভেঙ্গে বাবার উপর আক্রমণ করা হয়। বাবাকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও চাকু দিয়ে মারা হয়। তারপর দিদি ও ভাগ্নেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় ওরা। অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পুলিস তাদের উদ্ধার করতে পারেনি। ওদের জন্য দুশিন্তায় রয়েছি। দিনহাটা মহকুমা পুলিস আধিকারিক উমেশ গণপত বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। মহিলা ও শিশুর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস। এদিকে এই ঘটনার পরেই দিনহাটা থানার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে এলাকার বাসিন্দারা অপহৃত দুই জনকে উদ্ধার করা দাবিকে সামনে রেখে দিনহাটার গীতালদহ রাজ্য সড়ক পথ অবরোধ। প্রায় ঘন্টা তিনেক ধরে এই অবরোধ চলে। এর জেরে সমস্যায় পড়তে হয় নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে সকল কে।এরপরই এই পথ অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দিনহাটা থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ছুটে আসে।দিনহাটা থানা থেকে পুলিশ ছুটে এসে অবরোধকারীদের সাথে আলোচনায় বসেন। পরে পুলিশি আশ্বাসের পর সেই পথ অবরোধ উঠে যায়।
বোমা, বন্দুক নিয়ে সঙ্গীদের সঙ্গে ফিল্মি কায়দায় প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও সন্তানকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মেয়েকে অপহরণকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে জামাইয়ের সঙ্গীদের হাতে প্রহৃত হয়েছেন শ্বশুর ও শ্যালক সহ বাড়ির অন্যান্যরা। সোমবার রাতে দিনহাটা থানার ওকড়াবাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত শ্বশুর ফজলু রহমান, শ্যালক নাজিমুল হক সহ চার জনকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ, জামাই খাজা মইনউদ্দিন চিস্তির নেতৃত্বে একদল গুণ্ডা গভীর রাতে বোমা বন্দুক তিরধনুক নিয়ে তাঁর প্রথম পক্ষের স্ত্রী রেহেনা বিবিকে পুত্র সহ জোর করে তুলে নিয়ে যায়। তাদের বাধা দেওয়াতে নাজিমুল সহ চারজনকে মারধর করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দিনহাটা থানার আই সি সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মা ও ছেলের এখনও খোঁজ মেলেনি। নাজিমুল হকের পরিবারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। রেহেনা নাজিমুল হক বলেন, জামাইবাবুর নেতৃত্বে রাতে দিদির বাড়িতে আক্রমণ হয়। দরজা ভেঙ্গে বাবার উপর আক্রমণ করা হয়। বাবাকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও চাকু দিয়ে মারা হয়। তারপর দিদি ও ভাগ্নেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় ওরা। অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পুলিস তাদের উদ্ধার করতে পারেনি। ওদের জন্য দুশিন্তায় রয়েছি। দিনহাটা মহকুমা পুলিস আধিকারিক উমেশ গণপত বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। মহিলা ও শিশুর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস। এদিকে এই ঘটনার পরেই দিনহাটা থানার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে এলাকার বাসিন্দারা অপহৃত দুই জনকে উদ্ধার করা দাবিকে সামনে রেখে দিনহাটার গীতালদহ রাজ্য সড়ক পথ অবরোধ। প্রায় ঘন্টা তিনেক ধরে এই অবরোধ চলে। এর জেরে সমস্যায় পড়তে হয় নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে সকল কে।এরপরই এই পথ অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দিনহাটা থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ছুটে আসে।দিনহাটা থানা থেকে পুলিশ ছুটে এসে অবরোধকারীদের সাথে আলোচনায় বসেন। পরে পুলিশি আশ্বাসের পর সেই পথ অবরোধ উঠে যায়।

No comments