বছর দুয়েক আগেই পৌষমেলায় শুরু হয়েছিল শিশু বান্ধব কর্নার। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বীরভূম জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট ও বীরভূম জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় এবং পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা আয়োগ, নারী ও শিশুকল্যাণ এবং রাজ্য শিশুসুরক্ষা সমিতির সহযোগিতায় এবারও পৌষমেলায় শিশু বান্ধব কর্নার শুরু হয়েছে। 7 পৌষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী, জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু, রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার আয়োগের চেয়ারম্যান অনন্যা চক্রবর্তী। শিশুর অধিকার ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ক তথ্য দেওয়া ছাড়াও তাদের খেলা এবং বিনোদনের ব্যবস্থার জন্যই পৌষমেলার এই শিশু বান্ধব কর্নারের খোলা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া নাচ, গান, কবিতা, অঙ্কন প্রভৃতি আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুদের উৎসাহ প্রদানও করা হচ্ছে। এ ছাড়াও শিশুদের খেলার সামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। শিশুদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জল, নিরাপদ শৌচালয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এই কর্নারে শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও বয়স্ক মানুষদের জন্য রয়েছে হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা। বাল্য বিবাহ সামাজিক অপরাধ। এ নিয়ে যেমন মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে, একইভাবে শিশু শ্রম বন্ধের উপরও জোর দেওয়া হয়েছে কর্নারের পক্ষ থেকে। জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের কর্মী অনিরুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মেলায় শিশু বান্ধব কর্নারে ছয় দিন ধরে বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসাহ দিতে শিশুদের পুরস্কৃতও করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হোমের ছেলেমেয়েদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে মেলা চত্বর ঘুরে দেখা হচ্ছে কোন স্টলে শিশু শ্রমিক কাজ করছে কিনা। দেখতে পেলে তাদের ডেকে এনে সতর্ক করা হচ্ছে"।
বছর দুয়েক আগেই পৌষমেলায় শুরু হয়েছিল শিশু বান্ধব কর্নার। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বীরভূম জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট ও বীরভূম জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় এবং পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা আয়োগ, নারী ও শিশুকল্যাণ এবং রাজ্য শিশুসুরক্ষা সমিতির সহযোগিতায় এবারও পৌষমেলায় শিশু বান্ধব কর্নার শুরু হয়েছে। 7 পৌষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী, জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু, রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার আয়োগের চেয়ারম্যান অনন্যা চক্রবর্তী। শিশুর অধিকার ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ক তথ্য দেওয়া ছাড়াও তাদের খেলা এবং বিনোদনের ব্যবস্থার জন্যই পৌষমেলার এই শিশু বান্ধব কর্নারের খোলা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া নাচ, গান, কবিতা, অঙ্কন প্রভৃতি আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুদের উৎসাহ প্রদানও করা হচ্ছে। এ ছাড়াও শিশুদের খেলার সামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। শিশুদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জল, নিরাপদ শৌচালয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এই কর্নারে শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও বয়স্ক মানুষদের জন্য রয়েছে হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা। বাল্য বিবাহ সামাজিক অপরাধ। এ নিয়ে যেমন মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে, একইভাবে শিশু শ্রম বন্ধের উপরও জোর দেওয়া হয়েছে কর্নারের পক্ষ থেকে। জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের কর্মী অনিরুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মেলায় শিশু বান্ধব কর্নারে ছয় দিন ধরে বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসাহ দিতে শিশুদের পুরস্কৃতও করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হোমের ছেলেমেয়েদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে মেলা চত্বর ঘুরে দেখা হচ্ছে কোন স্টলে শিশু শ্রমিক কাজ করছে কিনা। দেখতে পেলে তাদের ডেকে এনে সতর্ক করা হচ্ছে"।

No comments