Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

Recent

মুলোর গুনাগুন ও উপকারিতা

প্রেস কার্ড নিউজ, বিনোদনঃ শীতকালের বাজারে একটি খুব প্রচলিত সবজি হল মুলো। পুষ্টিগুণে ভরপুর মুলো একটি অত্যন্ত উপকারি সবজি। খাবার হিসেবে এর স্বাদও অনন্য। যদিও মুলো একটি হাস্যকর সবজি খ্যাত। কারন সাধারন মানুষ কাউকে যদি বলে সে মুলো খেত…


প্রেস কার্ড নিউজ, বিনোদনঃ শীতকালের বাজারে একটি খুব প্রচলিত সবজি হল মুলো। পুষ্টিগুণে ভরপুর মুলো একটি অত্যন্ত উপকারি সবজি। খাবার হিসেবে এর স্বাদও অনন্য। যদিও মুলো একটি হাস্যকর সবজি খ্যাতকারন সাধারন মানুষ কাউকে যদি বলে সে মুলো খেতে ভালবাসে তাহলে সবাই একটু ব্যঙ্গ করে ওঠে। কারন আমরা সবাই জানি মুলো খেলে আমাদের পেটে থাকা দুর্গন্ধ বায়ু নির্গম হয়। তাই মুলোকে গ্যাস নাশক সবজির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। মুলোর কিছু অজানা গুণ আজ আমরা জেনে নেব।

মুলোয় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। মুলোর মূল যেমন পুষ্টিসমৃদ্ধ তেমন এর পাতাতেও প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুলোর চেয়ে এর পাতার গুণ অনেক বেশি। কচি মুলোর পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। মুলোর পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়। খাবার উপযোগী ১০০ গ্রাম মুলোপাতায় আছে আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭০০ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

মায়ের দুধ বৃদ্ধিযে মায়েরা শিশুকে দুগ্ধপান করান তারা মুলো খেতে পারেন। নিয়মিত মুলো খাওয়ার অভ্যাস থাকলে শিশু পর্যাপ্ত দুধ পাবে।

কোষ্টকাঠিন্য দূরীকরনে মুলোর ক্ষমতা অসীম মুলোর হজমকারী ক্ষমতা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পাইলস রোগে আরাম হয়। পাইলসের কারণে রক্ত পড়া পর্যন্ত বন্ধ হয়।

মুলো রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষণ এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে। মুলো কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী।

হজমে উপকার ও ক্ষুধা বৃদ্ধিতে মুলো খুব উপকারী। কাঁচা মুলো খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হজম হয় দ্রুত এবং রুচি বাড়ে। কচি মুলোর সালাদ ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সহায়ক।

রোগীর পথ্য হিসেবেও মুলো ব্যবহার হয়ে থাকে। জ্বরে ও বিভিন্ন রোগে ভুগলে বা মুখের রুচি নষ্ট হয়ে গেলে মুলো কুচি করে কেটে চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। জ্বর কমবে, মুখের রুচিও বাড়বে। পেটে ব্যথা বা গ্যাসের সমস্যা হলে মুলোর রসের সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন।

ত্বক পরিচর্যায়ও মুলো ব্যবহৃত হয়। এটি ভালো অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলোর পাতলা টুকরো ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলো প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী।


(ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

No comments