প্রেসকার্ড নিউজ, বিনোদনঃ মিষ্টিপ্রিয়
বাঙ্গালীদের জন্য শুরু হল তিন দিন ব্যাপী বাগবাজার রসগোল্লা উৎসব। কোনটা
দুধ সাদা। কারুর গায়ে গোলাপি আভা। কেউ ভাসছে দুধে টইটুম্বর হয়ে। কেউ আবার কমলা রঙে
ভেসে বেড়াচ্ছে।হ্যাঁ শীতের শহরে নতুন উৎসবের নাম রসগোল্লা।সে
কী আর এক দেড় বছর আগের কথা! সে তো দেড়শো বছর আগের ঘটনা। রসগোল্লা বানিয়ে দেশ ও দশকে
চমকে দিয়েছিলেন এক ভদ্রলোক যার নাম নবীনচন্দ্র দাস।
বাগবাজার গৌরী মাতা উদ্যানে রাজ্য সরকার মাননীয়া
বিধায়ক শ্রীমতি শশী পাঁজার উদ্যোগে আয়োজন করে এই রসগোল্লা উৎসব। উৎসবে রাজ্যের
সমস্ত জেলা থেকে মোট ২৫ টি সংস্থা এই উৎসবে অংশগ্রহন করে তাঁর মধ্যে ১৫ টি কলকাতার
খ্যাতনামা মিষ্টান্ন সংস্থা উপস্থিত ছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মেয়র ফিরহাদ
হাকিম, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন
মজুমদার, বিধায়ক শশী পাঁজা ও অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সহ আরও অনেকে।
এদিন সদ্য জি,আই
পাওয়া বাঙালির রসগোল্লার কলম্বাসের ব্রোঞ্জের মুর্তির আবরন উন্মচোন করেন কলকাতার মেয়র জনাব ফিরহাদ
হাকিম। সেইসাথে এই উৎসব সার্থকতা পায় শ্রদ্ধেয় নবীন চন্দ্র দাসের নামে ডাক টিকিট ও
রসগোল্লার স্মারক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো
হয় রসগোল্লা, উত্তরীয় ও ফুলের স্তবকের মধ্য দিয়ে।
রসগোল্লার প্রসঙ্গ
টেনে মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, বাগবাজার কলকাতার একটি ঐতিহ্যময় এলাকা এখানে
এসেছিলেন রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ থেকে বহু মনীষী।এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তাঁর
সাথে যোগ হল রসগোল্লা।পরীক্ষায় খারাপ ফল হলে রসগোল্লা বলে বটে তবু রসগোল্লা জনপ্রিয়।
সাংসদ সুদীপ
বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন লোকসভা চলছে তা সত্ত্বেও এত ব্যস্ততার মধ্যেও রসগোল্লার
কথা মাথায় রেখে এই উৎসবে চলে আসলাম। যেখানে বাংলা ওড়িশাকে হারিয়ে এই মিষ্টান্নর
স্বত্বাধিকার পেয়েছে। সেই উৎসবে উপস্থিত থাকতে পারা গর্বের বিষয়।
অভিনেত্রী
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত অভিনয় জগতে থেকে ডায়েটের কথা মাথায় রেখেও কোনও উৎসবে গেলে দু-একটা
রসগোল্লা খেয়েই নেন তাঁর অপুর্ব স্বাদের জন্য।

No comments