পরাধীন ভারতবর্ষে র পরখে পরখে নিজেদের অস্তিত্বের প্রমান রেখে গেছে ব্রিটিশ পর্তুগিজ ফরাসী থেকে প্রায় সব ঔপনিবেশিক শাসকরা। চন্দননগরেও তার ব্যতিক্রম রাখেনি ফরাসী বনিকরা। দীর্ঘদিন ফরাসী শাসনে থাকার ফলে সেখানকার মানুষ জন থেকে শহর বসতি সবকিছুতেই তাদের প্রভাব লক্ষ করা যায়। ১৬৩৮ খ্রীস্টাব্দে চন্দননগরের গঙ্গার ঘাটে নোঙর ফেলার পর পাট শিল্পকেই তাদের ভারতে আসার মূল কারন বলে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয় ফরাসী বনিকরা। প্রায় চার হাজার ফরাসী মানুষের ধর্ম চর্চার জন্য ১৬৯১ খ্রীস্টাব্দে চন্দননগরের স্টান্ডের সামনে গঙ্গার পাড়ে তৈরী হয় ক্যথলিক গির্জা। মাতা মেরীর কোলে ছোট্ট যিশু সহ বহু মুর্তি রয়েছে গির্জা র ভিতর। কয়েক শতাব্দী ধরে সেই ফরাসী উপনিবেশে র অন্যতম সাক্ষী এই গির্জা। যদিও সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে গির্জার বাইরে এবং ভিতরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে বহুবার।
আলোর শহরে জগদ্ধাত্রী র আরাধনার পর ফের আলোকমালায় সজ্জিত এই ফরাসী নিদর্শন। বড়দিন শুধু বড়দিন নয়, সমাজের শোষিত নিপিরীত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে তাই গত পনেরো তারিখ থেকেই উৎসবে সামিল হয়েছেন এখানকার খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষরা। ঐতিহ্যের আলোকসজ্জা এবার সরকারী খরচে হওয়ায় অন্য বছরের থেকে বড়দিনের বাজেট অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়েছে। তাই শুধু খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষই নয় সব ধর্মের মানুষ কে সাথে নিয়ে প্রভু যীশুর আগমন বার্তা প্রচারে এবং পালনে অনন্দগানে মেতেছেন ফরাসডাঙার খ্রীষ্টান ধর্মের মানুষজন

No comments