ভারতের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। যাদবপুরের লোকসভা কেন্দ্রে লড়াইয়ে নেমেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রী, রাজনীতিতে পা দিয়ে এখন ঠিকভাবে ঠাহর করতে পারছেন না ভোটের হাওয়া। যেখানেই যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ জড়ো হচ্ছেন। তা কি চোখের নাগালে অভিনেত্রী মিমিকে দেখার জন্য! নাকি এই জনসংখ্যা ভোট বাক্সে পরিণত হবে? তবে সেটা সময় বলে দেবে। তৃণমূল সুপ্রিমো যখন দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর কেন্দ্র প্রার্থী করেছেন নিশ্চয়ই কিছু বুঝেই করেছেন।
সে যাই হোক ওই কেন্দ্রের গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন জায়গাতে মিমিকে নিয়ে প্রচারের ওপর জোর দিয়েছে দল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু তাই নয়, ভোটারদের মধ্যে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে মিমিও সেখানকার মানুষের মন বুঝে নিয়ে মেশার চেষ্টা করছেন।
গ্রামবাসীদের আবদার বা বলা যায় ভোটারদের আবদার মেনে মন্দিরে গিয়ে পূজো দিলেন, নিজের হাতে প্রসাদ বিলি করলেন মিমি। নায়িকার পরনে ছিল তার পছন্দের গোলাপি রঙের কুর্তা ও সাদা প্যালোজ।
প্রচারে বেরিয়ে একটি চপের দোকানে বসে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান মিমি। নিজে না খেলেও কর্মী সমর্থকদের খাওয়ালেন। বিরোধীদের মন্তব্য, ওনাদের দিদির কাছে চপও শিল্প, আরও নানা শিল্পর পারদর্শী ওনারা। মিমির আর কি জিতলেও ভালো, না জিতলেও ক্ষতি নেই! তবে এই কেন্দ্রে ওদের কি কোনো রাজনীতির লোক নেই। সারাবছর যারা দলের জন্য জান প্রাণ দিয়ে খাটেন তাদের মধ্যে কি কারও প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নেই?
বিরোধীরা যাই বলুক না কেনো, ওই কেন্দ্রে গ্রামীণ বা শহুরে এলাকা হোক, মিমিকে দেখার জন্য যথেষ্ট ভিড় হচ্ছে। এরপর সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাত ৮টায় এক অনুষ্ঠানে মিমি যোগ দেয়ার পর তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মান জানানো হয়। এর মধ্যে শুরু হয় ঠেলাঠেলি। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে অতি উৎসাহীরা মিমির হাত ধরে টান দিতেই প্রার্থী মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। উত্তেজিত হয়ে ক্ষোভও উগরে দেন। পরে অবশ্য সকলে মিলে তা সামলে দেয়।
পরে মিমি বলেন, ‘এই গরমে শরীরটা খারাপ হয়েছে। জ্বর ও কয়েকদিন ধরে সর্দি হয়েছে। তা সত্ত্বেও সারাদিন ধরে প্রচার করছি। কারণ, এত মানুষ আমায় ভালোবেসে প্রতিদিন আসছে। সেই ভালোবাসার কাছে আমার শরীর তুচ্ছ হয়ে গিয়েছে। হাতে খুব চোট পেয়েছি। তাই উত্তেজিত হয়ে পড়ি।’
from Daily Bangla http://bit.ly/2WiDd4C
from DNAবাংলা http://bit.ly/2XXHxX8


No comments