কথায় বলে— ‘বিয়ের জল’। আর সেই জল গায়ে পড়লে ঘটে আজব ঘটনা। নিতান্ত রোগাকাঠি কিশোরী-কাটিং মেয়েটি ছ’মাসের মধ্যে কেমন একটা ‘বউ বউ’ চেহারা প্রাপ্ত হয়। সরলভাবে বললে, খানিকটা মুটিয়ে যায়। মা-কাকিমারা স্নেহের নজরে বলে থাকেন, স্বাস্থ্য ফিরেছে। কিন্তু এমনটা হয় কেন? ঠিক কী কারণে বেশিরভাগ বাঙালি মেয়ের চেহারা বদলে যায় বিয়ের পরে?
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই চেহারা বদলের পিছনে কিছু শারীরবৃত্তীয় কারণ যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনও। দেখা যাক তার কয়েকটিকে।
• বেশিরভাগ বাঙালি মেয়ের প্রথম যৌন-অভিজ্ঞতা ঘটে বিয়ের পরেই। আর নিয়মিত যৌনমিলন শরীরে মূলত তিনটি হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়— অক্সিটোসিন, ভ্যাসোপ্রেসিন এবং এন্ড্রোফিন। এই তিনটি যথেষ্ট পরিবর্তন আনে শরীরে। বিশেষ করে শেষেরটি ‘হ্যাপি হরমোন’ নামে পরিচিত। সামগ্রিকভাবেই এরা প্রভাবিত করে শারীরিক সংগঠনকে।
• মিলন-পরবর্তী ঘুম মেদবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
• একটা বড় সংখ্যক বাঙালি মেয়ে বিয়ের পরে দিবানিদ্রাসক্ত হয়ে পড়ে। সেটা মেদবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
• অনেক বাঙালি মেয়েই বিয়ের আগে নাচ অথবা সাইকেল চালানোর মতো কিছু ব্যায়ামে অভ্যস্ত থাকেন। বিয়ের পরে সেসব ছেড়ে দিলে পৃথুলতা আসে।
• বিয়ের পরে এক ধরনের নিরাপত্তাবোধ জন্ম নেয়। বিবাহ-পূর্ববর্তী জীবনের অনেক উদ্বেগের নিরসন ঘটে। এর কারণে শারীরিক পরিবর্তন ঘটতেই পারে।
• বিয়ের পরে বেশ খানিকটা স্বাধীনতা পেয়ে অনেক বাঙালি মেয়েই যা খুশি খেতে শুরু করেন। বাবা-মায়ের চোখরাঙানিতে যা তাঁরা বিয়ের আগে খেতে পারতেন না, সেই সব জাঙ্ক-খাবার বিপুল পরিমাণে খেয়ে মুটিয়ে ফেলেন নিজেকে।
from Breaking Kolkata http://bit.ly/2Der7C1
from DNAবাংলা http://bit.ly/2PcBI59

No comments