স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত যে নারীরা কেমোথেরাপি নিচ্ছেন তাদের চুল পড়া প্রতিরোধে মাথার ত্বক ঠাণ্ডা করার একটি পদ্ধতি বেশ সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা এমনটাই বলেছেন।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত স্যান অ্যান্টোনিও স্তন ক্যান্সার সম্মেলনে এ কথা বলেন গবেষকরা।
গণমাধ্যমে ব্রিফিংকালে টেক্সাসের হাউস্টনের বেইলর কলেজ অফ মেডিসিনের প্রধান গবেষক ড. জুলি রানি নাঙ্গিয়া বলেন, "মাথার ত্বক ঠাণ্ডা করার যন্ত্রগুলো উচ্চমাত্রায় কার্যকর এবং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত যে নারীরা কেমোথেরাপি নিচ্ছেন তাদের জন্য সহজলভ্য হওয়া উচিদ। ''
এই যন্ত্র মাথার ত্বকের তাপমাত্রা কমিয়ে আনে। যা চুলের গ্রন্থিকোষে রক্ত সরবরাহ কমিয়ে আনে এবং অন্যান্য গবেষণায় দেখা গেছে, কেমোথেরাপি নেওয়া রোগীদের মাথার চুল পড়া কমায়।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৭টি চিকিৎসাকেন্দ্রে ২৩৫ জন নারীর ওপর এই যন্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়। ওই নারীদের প্রত্যেকেরই প্রথম বা দ্বিতীয় স্তরের স্তন ক্যান্সার ছিল। তাদেরকে এমন কেমোথেরাপি দেওয়া হচ্ছিল যার ফলে চুল পড়ে।
ওই রোগীদেরকে চুলপড়া প্রতিরোধপদ্ধতি সহ এবং ছাড়া কেমোথেরাপি দেওয়া হয়।
চুল পড়া প্রতিরোধপদ্ধতিতে একটি 'ঠাণ্ডা টুপি' কোনো রোগীর মাথায় পরানো হয় কেমোথেরাপি দেওয়া সময়। কেমোথেরাপির আগে ৩০ মিনিট, থেরাপি চলাকালে এবং থেরাপির পরে ৯০ মিনিট ধরে মাথার ত্বক ঠাণ্ডাকরণের এই প্রক্রিয়া চলে।
গবেষণার পর বেশির ভাগ রোগীই মাথার ত্বক ঠাণ্ডা করার যন্ত্রটিকে বেশ আরামদায়ক বলে আখ্যায়িত করেছেন আর খুব কম সংখ্যক রোগীই সেটিকে কষ্টদায়ক বলেছেন। এতে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও ছিল না। শুধু সামান্য মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব এবং ঝিমুনি ছিল।
যন্ত্রটি বাজারজাতকরণে প্যাক্সম্যান কম্পানি এখন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসনের কাছে ছাড়পত্র চাইছে। এর নাম ওপিএইচএলপিএস। এর আগে গত ডিসেম্বরে ডিগনিটা ইনকরপোরেশনের তৈরি ডিগনি ক্যাপ নামের একটি মাথার ত্বক ঠাণ্ডা করনের যন্ত্র বাজারজাতকরণের অনুমতি দেওয়া হয়।
নাঙ্গিয়া বলেন, এই পদ্ধতি অন্যান্য দেশে স্তন ক্যান্সার ভিন্ন অন্যান্য টিউমারজনিত ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করে দেখা হয়েছে। যদিও এটা ব্লাড ক্যান্সারের রোগীদের জন্য উপযুক্ত নয়।
from Daily Bangla http://bit.ly/2GR1s4t
from DNAবাংলা http://bit.ly/2GDJuRE

No comments