এতদিন কঙ্গনার নিশানায় ছিলেন আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর। তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে নানা মন্তব্য করার পর তেমন কোনও পাল্টা জবাব পাননি অভিনেত্রী। বরং আলিয়ার নরম সুরে দেওয়া জবাব বোধহয় তাকে খানিক বেশিই চটিয়ে দিয়েছে। যার জন্য আলিয়াকে ছেড়ে কঙ্গনার নতুন শিকার হয়ে উঠেছেন আলিয়ার বাবা তথা কঙ্গনার মেন্টর মহেশ ভাট।
সম্প্রতি মহেশের স্ত্রী সোনি রাজদানের টুইট ঘিরেই শুরু হয়েছে জল্পনা। যদিও টুইটটি পরে সোনি ডিলিট করে দেন। আলিয়াকে দিনের পর দিন কঙ্গনার আক্রমণ করা নিয়ে মুখ খুলেছেন সোনি। তিনি লিখেছিলেন, মহেশ ভাটই সেই মানুষ যিনি কঙ্গনাকে বলিউডে ওর সবচেয়ে বড় ব্রেক দিয়েছিলেন। আর তার মেয়ে ও স্ত্রীকে এভাবে আক্রমণ করে চলেছেন উনি। বিশেষত আমার মেয়ের জীবন নিয়ে নানা মন্তব্য করেছেন কঙ্গনা। এই হিংসার কারণ ঠিক কী?
সোনির এই টুইটের পরই স্বাভাবিকভাবেই তার উপর একরকম ঝাঁপিয়ে পড়েছেন কঙ্গনার বোন রঙ্গোলি। একের পর এক টুইট করে সোনিকে বাধ্য করেছেন নিজের টুইট ডিলিট করতে। রঙ্গোলি জানান, সোনি জী, মহেশ ভাট কখনই কঙ্গনাকে বলিউডে কোনও বড় ব্রেক দেননি। অনুরাগ বসু, কঙ্গনাকে ‘গ্যাংস্টার’-এ সুযোগ দেন। মহেশ ভাট নিজের ভাইয়ের প্রযোজনা সংস্থায় ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন। মনে রাখবেন, তিনি কিন্তু প্রযোজনা সংস্থার মালিক নন। ‘ও লমহে’-এর পর কঙ্গনাকে ‘ধোকা’ ছবিটি অফার করা হয়। যা কঙ্গনা করতে চায়নি। যার জন্য কঙ্গনার সঙ্গে যথেষ্ট দুর্ব্যবহার করেন মহেশ ভাট। শুধু তাই নয়, থিয়েটারের মধ্যে কঙ্গনাকে জুতা ছুঁড়ে মারে। তখন কঙ্গনার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর।
সোনি ও রঙ্গোলির এই কথা কাটাকাটিতে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। আলিয়ার ভক্তরা সোনিকে দোষারোপ করেছেন। তাদের কথায়, কঙ্গনাকে আলিয়া বেশ সুন্দরভাবেই এড়িয়ে গিয়েছিলেন, সোনির এই ট্যুইট করার কোনও প্রয়োজনই ছিল না। এতে কঙ্গনা ফের সুযোগ পেয়ে গেল আলিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলার।
from Breaking Kolkata http://bit.ly/2VP89ZZ
from DNAবাংলা http://bit.ly/2IrfE65

No comments