কেন্দ্রের শ্রম আইন সংস্কারকে সমর্থন করি না, ১২ দফা দাবী আদায়ে বাম ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা সদ্য সমাপ্ত ভারত বনধ্-এর দাবীগুলির মধ্যে একটি দাবীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে স্পষ্ট ভাষায় বললেন তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম দপ্তরের রাস্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর শহরের মহকুমা শাসকের দপ্তর সংলগ্ন ময়দানে গঙ্গারামপুর শ্রমিক মেলার এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তাদের বক্তব্যে উঠে এল শ্রমজীবী মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা যোজনায় অসংগঠিত শিল্প ও স্বনিযুক্তি পেশায় কর্মরত শ্রমিকদের জন্য আর্থিক সহায়তা সমূহ বিষয়ক বিষয়ে জেলা শ্রম দপ্তরের অপর্জাপ্ত প্রচারহীনতার কথা। এদিন রাস্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেন একাধারে যেমন বলেন মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত প্রকল্পগুলিকে ভেবে সামাজিক সুরক্ষা করেছে এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য কাজ করে চলেছে এই সরকার তেমনি অপরদিকে উঠে এসেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শ্রমিকদের নাম শ্রম দপ্তরে নথিভুক্ত করার বিষয়ক বিস্ফোরক তথ্য। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বেশীরভাগ শ্রমজীবী মানুষকে শ্রম দপ্তরের সুবিধাগুলি সম্পর্কে অবহিতই করতে পারেনি জেলা শ্রম দপ্তর। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জনসংখ্যা যেখানে প্রায় ১৭ লক্ষেরও বেশী, যার মধ্যে ১৩ লক্ষেরও বেশী মানুষ কৃষি শ্রমিক এবং স্বনিযুক্তি প্রকল্পের অধীনে ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অথচ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শ্রম দপ্তরে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে সাহায্য প্রদান বা নাম নথিভুক্ত হিসাবে গঙ্গারামপুর মহকুমার এক লক্ষ মানুষ সহ গোটা জেলায় মাত্র চার লক্ষের কিছু বেশী মানুষের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। যা জনসংখ্যার নিরিখে অর্ধেকের থেকেও কম। তথ্যগত এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধাগুলি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এখনও প্রচুর মানুষের কাছে পৌছায়নি। এমনকি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রচুর মানুষ এখনও শ্রম দপ্তরের প্রকল্পগুলি সম্পর্কে জানেই না। শ্রম দপ্তরের রাস্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেনের বক্তব্যেও যেন এমনই সুর। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সহসভাপতি বিপ্লব মিত্র এই বিষয়ে বলেন প্রচুর টাকা এই দপ্তরে খরচা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু আমাদের জেলায় অজ্ঞতার কারনে এখানকার গরিব মানুষরা সেই সূযোগ নিতে পারছেন না। এই কথা বলার পাশাপাশি তিনি বলেন শ্রমজীবী মানুষদের কাছে এই সূযোগ সুবিধাগুলির কথা পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে জনপ্রতিনিধিদের। সুতরাং অপর্জাপ্ত প্রচারের কারনেই কি পিছিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শ্রমজীবী মানুষদের জীবন সুরক্ষার ভবিষ্যৎ তা নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা শুরু।👆🏼👆🏼👆🏼chobi
কেন্দ্রের শ্রম আইন সংস্কারকে সমর্থন করি না, ১২ দফা দাবী আদায়ে বাম ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা সদ্য সমাপ্ত ভারত বনধ্-এর দাবীগুলির মধ্যে একটি দাবীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে স্পষ্ট ভাষায় বললেন তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম দপ্তরের রাস্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর শহরের মহকুমা শাসকের দপ্তর সংলগ্ন ময়দানে গঙ্গারামপুর শ্রমিক মেলার এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তাদের বক্তব্যে উঠে এল শ্রমজীবী মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা যোজনায় অসংগঠিত শিল্প ও স্বনিযুক্তি পেশায় কর্মরত শ্রমিকদের জন্য আর্থিক সহায়তা সমূহ বিষয়ক বিষয়ে জেলা শ্রম দপ্তরের অপর্জাপ্ত প্রচারহীনতার কথা। এদিন রাস্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেন একাধারে যেমন বলেন মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত প্রকল্পগুলিকে ভেবে সামাজিক সুরক্ষা করেছে এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য কাজ করে চলেছে এই সরকার তেমনি অপরদিকে উঠে এসেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শ্রমিকদের নাম শ্রম দপ্তরে নথিভুক্ত করার বিষয়ক বিস্ফোরক তথ্য। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বেশীরভাগ শ্রমজীবী মানুষকে শ্রম দপ্তরের সুবিধাগুলি সম্পর্কে অবহিতই করতে পারেনি জেলা শ্রম দপ্তর। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জনসংখ্যা যেখানে প্রায় ১৭ লক্ষেরও বেশী, যার মধ্যে ১৩ লক্ষেরও বেশী মানুষ কৃষি শ্রমিক এবং স্বনিযুক্তি প্রকল্পের অধীনে ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অথচ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শ্রম দপ্তরে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে সাহায্য প্রদান বা নাম নথিভুক্ত হিসাবে গঙ্গারামপুর মহকুমার এক লক্ষ মানুষ সহ গোটা জেলায় মাত্র চার লক্ষের কিছু বেশী মানুষের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। যা জনসংখ্যার নিরিখে অর্ধেকের থেকেও কম। তথ্যগত এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধাগুলি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এখনও প্রচুর মানুষের কাছে পৌছায়নি। এমনকি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রচুর মানুষ এখনও শ্রম দপ্তরের প্রকল্পগুলি সম্পর্কে জানেই না। শ্রম দপ্তরের রাস্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেনের বক্তব্যেও যেন এমনই সুর। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের সহসভাপতি বিপ্লব মিত্র এই বিষয়ে বলেন প্রচুর টাকা এই দপ্তরে খরচা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু আমাদের জেলায় অজ্ঞতার কারনে এখানকার গরিব মানুষরা সেই সূযোগ নিতে পারছেন না। এই কথা বলার পাশাপাশি তিনি বলেন শ্রমজীবী মানুষদের কাছে এই সূযোগ সুবিধাগুলির কথা পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে জনপ্রতিনিধিদের। সুতরাং অপর্জাপ্ত প্রচারের কারনেই কি পিছিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শ্রমজীবী মানুষদের জীবন সুরক্ষার ভবিষ্যৎ তা নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা শুরু।👆🏼👆🏼👆🏼chobi

No comments