প্রেসকার্ড নিউজ, বিনোদনঃ ধূসর রঙের এ ফলটি ভীষণ জনপ্রিয় গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশগুলোতে । নরম শাঁসযুক্ত ও সুমিষ্ট এ ফলটিকে স্বাদের বিচারে সেরা ফলের তালিকায়অন্তর্ভুক্ত করা যায়। তবে শুধু স্বাদে নয়, গুণেও অনন্য এ ফলটি। নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সবেদা । শক্তির উৎস এ ফলটি শরীরে নবশক্তি সঞ্চারের মাধ্যমে শরীর-মনকে চাঙ্গা ও পুনরুজ্জীবিত করে। বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, ভিটামিন এ, সি ও ই এবং ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, কপার ও আয়রনসহ অপরিহার্য বহু পুষ্টি উপাদান রয়েছে ফলটিতে। সবেদা দেশি ফল হিসেবে পরিচিত হলেও এর আদি নিবাস মেক্সিকোর দক্ষিণাংশ, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চল। মেক্সিকো, ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সফেদার ব্যাপক উৎপাদন হয়।
চোখের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান ভিটামিন এ’র দারুণ উৎস সবেদা। নিয়মিত ফলটি খাওয়ার অভ্যাসে দৃষ্টিশক্তি ভালো হতে থাকে। সবেদায় রয়েছে প্রয়োজনীয় আঁশ জাতীয় উপাদান, যা উপকারি প্রাকৃতিক ল্যাক্সাটিভিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং হজমে সহায়তা করে। হজমের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও মুক্তি দিতে পারে সবেদা খাওয়ার অভ্যাস। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আঁশ ও নানা পুষ্টি উপাদানের অন্যতম উৎস সবেদা সুনির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এ ক্যান্সারগুলোর মধ্যে রয়েছে, ফুসফুসের ক্যান্সার, মুখ-গহ্বরের ক্যান্সার ইত্যাদি।
গ্রীষ্মকালীন এ ফলটি হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। হাড়কে মজবুত করার পাশাপাশি শক্তিশালী করে সবেদা। কারণ, এ ফলে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রনের মতো খনিজ উপাদান, যা হাড়ের ঘনত্ব ও সহ্যক্ষমতা বাড়ায়। সবেদা ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল, যা শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং নবশক্তি সঞ্চার করে। ফলে, ত্বকে বলিরেখা পড়ে না এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন অথচ ফ্যাটের ভয় পান, তাঁদের জানিয়ে রাখছি, সবেদা একদম ফ্যাটমুক্ত ফল। তাই যাঁরা মিষ্টি পছন্দ করেন তাঁরা নির্দ্বিধায় খেতে পারেন সবেদা
সুত্রঃ ইন্টারনেট

No comments