বোইধ্য কাগজ থাকা সত্যেও প্রধান শিক্ষককে কাজে যোগদান করতে না দেওয়ার অভিযোগ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ও ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে। কাজে যোগদান না করতে দিলেও ১ ডিসেম্বর থেকে নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেন বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক। তবে বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় ওই প্রধান শিক্ষককে যোগদান করানো যাবেনা বলেই জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
জানাগেছে, বালুরঘাট চককাশি শ্যামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের ঘটনা। ওই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২০০১ সালে কাজে যোগদেন শুভেন্দু চক্রবর্তী। হিসেবে গড়মিল থাকার অভিযোগ তুলে তাকে ২০১২ সালে সাময়িক বরখাস্ত করে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি। তবে সেই বরখাস্তটি অনুমোদন করেনি পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদ। মাস কয়েকের মধ্যে তিনি ফের কাজে যোগ দেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সকলে অসহযোগিতা করছিলো বলে অভিযোগ। এদিকে পাঁচ মাস সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক এড়িয়া স্যালারি ও কুড়ি ইয়ার ইনক্রিমেন্ট দিতে অস্বীকার করে কতৃপক্ষ। নিজের পাওনা আদায়ে ওই শিক্ষক এরপর ২০১৬ সালে দারস্থ হন আদালতের। মামলাটি বিচারাধীন। এরপর থেকেই ম্যানেজিং কমিটির রক্ত চক্ষুতে প্রধান শিক্ষককে পরতে হয় বলে অভিযোগ। ওই বছরেই নানা কারণ দেখিয়ে পুনরায় প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে দাবী। দায়িত্ব সহকারে কাজে ফিরতে বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক এবার দারস্থ হন মধ্য শিক্ষা পর্ষদের আপিল কমিটির কাছে।
বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক শুভেন্দু চক্রবর্তী বলেন, ৭ সেপ্টেম্বর আপিল কমিটি হেয়ারিং করে। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপিল কমিটির চেয়ারম্যান একটি নির্দেশ দেন। যেখানে নির্দেশ দেওয়া হয় কাজে যোগদান করতে। ৩০ নভেম্বর অর্ডার হাতে পেয়ে ১ ডিসেম্বর স্কুলে যোগদান করতে যান তিনি। কিন্তু তাকে কতৃপক্ষ স্কুলে যোগদিতে দিচ্ছেন না। কিন্তু তিনি এরপর থেকে প্রতিদিন স্কুলে যাচ্ছেন। স্কুলসময় পর্যন্ত তিনি বসেই থাকছেন। এদিকে ৩১ জানুয়ারি তিনি অবসর গ্রহন করবেন। তার আগে কাজে যোগদান না করলে নিজের পাওনা গন্ডা থেকে বঞ্চিত হবেন।
অন্যদিকে, ওই বিদ্যালয়ের ভার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার মন্ডল বলেন, মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন তাদের করার কিছু নেই। তাই এই ব্যাপারে তাদের বলার কিছু নাই।

No comments