যৌন জীবনের ঘাটতির
জন্য বৌ বা স্বামী পরকীয়াগামী। পরকীয়ার জেরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।
সমাজে এই ঘটনা অবক্ষয় ঝড়ের মত আঘাত আনছে যা সত্যিই গুরুতর।এই অবক্ষয় আটকানোর
একমাত্র পথ বিছানায় 20-30মিনিটের শরীর বিনোদন।কর্ম ক্ষেত্রে রাজনীতির চাপ , পকেটে
ভবিষ্যতের টানাপোড়েনের চিন্তা সহ নানা রকম স্ট্রেসে শরীর আর পারছে না।এসবের বাইরে
আছে সংসারে পরাধীনতা আর সারাক্ষণ কচকচানি।বলবেন পারছি না তো কি করব ? শরীর তো যৌনতার
জন্য সময় পাচ্ছে না। ভূল নয় আপনার দাবি ।দিনের সেরা সময় যৌনতার জন্য সর্বোত্তম
সময় নিয়ে বিতর্ক প্রচুর আছে ।
বিশেষজ্ঞরা
মধ্যাহ্নভোজের আনন্দ ছাড়াপ পরামর্শ দিচ্ছেন না, তবে শরীরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে
ঘুমাতে যাওয়ার আগে যৌনতার জন্য তৈরি করা। সমাজ তো লজ্জা করছে না।চেটে পুটে ছেলেমেয়েরা
দেখছে একে অপরের শরীর।নারী পুরুষের সম্প্রকে লিঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যস্ত
সময়সূচী এবং উপস্থিত হতে অগণিত দায়িত্বের মাঝে যৌনতা backseat লাগলেও আপনার সামগ্রিক সুখের জন্য ভাল নয়।অতএব তাকে ফিরিয়ে সবার
আগে আনুন। যৌনতাকে আপনার দৈনন্দিন রুটিনেপ একটি অংশ বানান।
বৌকে সুখ দেওয়ার
পাশাপাশি যৌনতায় শরীর ভালো থাকে ।সেক্স সেশন এবং প্রচণ্ড উত্তেজনা আপনার
মস্তিষ্কের অনুভূত-ভালো হরমোনগুলির একটি ককটেল তৈরি করে যেমন সেরোটোনিন এবং
অক্সিটোসিন। অক্সিটোকিন, "প্রেমের হরমোন" নামেও পরিচিত, যা সম্পর্কের
অনুভূতি সৃষ্টি করে। স্টাডিজ দেখিয়েছে যে অক্সিটোকিন প্রেমের অনুভূতি তৈরির একটি
মূল উপাদান।
বিছানায় সঙ্গীর
শরীরে এই হরমোন রিলিজ হলে যৌন অধিকার নিরাময় হবে।আর এজন্য রুটিনে গুরুত্ব দিন এই
তালিকা করে ।তালিকায় শুধু থাকবে কফি, কাজ, জিম, ডিনার, যৌনতা আর বিছানা। যৌনতা
শুধুমাত্র আপনার সারা দিনে প্রায় 20-30 মিনিট।দেখুন কতটা কম সময়।
নিয়মিত রুটিনের
মধ্যে যৌনতা রাখলে বিরক্তিকর মানসিকতা দূর হবে। এবং আপনার সঙ্গীকে দেখতে উত্সাহিত
করবে। আপনাকে একে অপরের কাছে আনবে।
সাম্প্রতিক
গবেষণায় দেখা গেছে যে আমাদের পুরাতন অক্সিটোকিন ঘনিষ্ঠতার অনুভূতি তৈরির চেয়ে বেশি
কিছু করে, এটি আপনার ঘুমের
গুণগত মানকে আরও উন্নত করতে পারে।
একটি গবেষণায় দেখা
গেছে যে 64% অংশগ্রহণকারী যারা ঘুমানোর আগে প্রচণ্ড উত্তেজনায় যৌন মিলন করে এবং
তাদের ঘুমও ভালো হয় ।অতএব আপনি ও আপনার সঙ্গী যৌন মিলন করুন।


No comments