প্রেসকার্ড নিউজ, কলকাতা, ২০ ডিসেম্বর: ঠিকমতো জ্বলে ওঠার আগেই নিভে গেল তরতাজা একটি প্রাণ। তবে সিএমআরআই হাসপাতালে ব্রেন ডেথ হওয়া কুড়ি বছরের ওই যুবকের অঙ্গে নতুন করে জীবনের খোঁজ পেলেন চারজন। বৃহস্সপতিবার কলকাতার চার হাসপাতালে সজলের হৃদযন্ত্র, কিডনি ও লিভার প্রতিস্থাপিত করা হয় চারজনের শরীরে।
এদিন শহরে একইসঙ্গে তিনটি গ্রিন করিডরের মাধ্যমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এসএসকেএম এবং অ্যাপেলো হাসপাতালে পৌঁছয় সজলের অঙ্গগুলি, যা নজির। কর্নিয়া দুটিও সংগ্রহ করেছে শংকর নেত্রালয়।
মেডিক্যাল কলেজে হৃদযন্ত্রটি প্রতিস্থাপন করা হয় হবিবুর রহমান (৪০) নামে মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির শরীরে। অন্যদিকে, এসএসকেএম হাসপাতালে বারুইপুরের বাসিন্দা সিরোসিস অব লিভারে আক্রান্ত জয়প্রতিম ঘোষের শরীরে প্রতিস্থাপিত করা হয় সজলের লিভারটি।
এসএসকেএমের সুপার ডা. রঘুনাথ মিশ্র জানিয়েছেন, সকাল পৌনে বারোটা নাগাদ অস্ত্রোপচার শুরু হয়। দেড়টা নাগাদ তা শেষ হয়।
একটি কিডনি সিএমআরআই হাসপাতালেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক ব্যক্তির শরীরে প্রতিস্থাপিত করা হয়। অন্য কিডনিটি প্রতিস্থাপন হয় অ্যাপেলো হাসপাতালে।
সোমবার রাতে কোলাঘাটের রামতারকহাটে ভেজা রাস্তায় মোটরবাইক পিছলে গিয়েছিল সজলের। তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বাগনান কলেজের বিকম ফাইনাল ইয়ারের ওই ছাত্রকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার সিএমআরআইতে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই বুধবার চিকিৎসকরা তাঁর ব্রেনডেথ ঘোষণা করেন। রাতেই পরিবারের লোকেরা অঙ্গদানে রাজি হলে শুরু হয় তোরজোর।
এর আগে কলকাতায় প্রতিস্থাপনযোগ্য অঙ্গ দ্রুত পরিবহণের জন্য একাধিকবার গ্রিন করিডর করা হয়েছে। কিন্তু একসঙ্গে তিনটি গ্রিন করিডর এই প্রথম।
এদিন শহরে একইসঙ্গে তিনটি গ্রিন করিডরের মাধ্যমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এসএসকেএম এবং অ্যাপেলো হাসপাতালে পৌঁছয় সজলের অঙ্গগুলি, যা নজির। কর্নিয়া দুটিও সংগ্রহ করেছে শংকর নেত্রালয়।
মেডিক্যাল কলেজে হৃদযন্ত্রটি প্রতিস্থাপন করা হয় হবিবুর রহমান (৪০) নামে মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির শরীরে। অন্যদিকে, এসএসকেএম হাসপাতালে বারুইপুরের বাসিন্দা সিরোসিস অব লিভারে আক্রান্ত জয়প্রতিম ঘোষের শরীরে প্রতিস্থাপিত করা হয় সজলের লিভারটি।
এসএসকেএমের সুপার ডা. রঘুনাথ মিশ্র জানিয়েছেন, সকাল পৌনে বারোটা নাগাদ অস্ত্রোপচার শুরু হয়। দেড়টা নাগাদ তা শেষ হয়।
একটি কিডনি সিএমআরআই হাসপাতালেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক ব্যক্তির শরীরে প্রতিস্থাপিত করা হয়। অন্য কিডনিটি প্রতিস্থাপন হয় অ্যাপেলো হাসপাতালে।
সোমবার রাতে কোলাঘাটের রামতারকহাটে ভেজা রাস্তায় মোটরবাইক পিছলে গিয়েছিল সজলের। তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বাগনান কলেজের বিকম ফাইনাল ইয়ারের ওই ছাত্রকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার সিএমআরআইতে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই বুধবার চিকিৎসকরা তাঁর ব্রেনডেথ ঘোষণা করেন। রাতেই পরিবারের লোকেরা অঙ্গদানে রাজি হলে শুরু হয় তোরজোর।
এর আগে কলকাতায় প্রতিস্থাপনযোগ্য অঙ্গ দ্রুত পরিবহণের জন্য একাধিকবার গ্রিন করিডর করা হয়েছে। কিন্তু একসঙ্গে তিনটি গ্রিন করিডর এই প্রথম।

No comments