প্রেসকার্ড নিউজ , নদীয়া , ২৮ ডিসেম্বর :রক্ত দান মহৎ দান , রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচান | এত দিন বিভিন্ন ক্লাব , সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে রক্ত দান শিবিরের আয়োজন করেছে | কিন্তু কেউ কি শুনেছেন প্রতিবন্ধীরা রক্তদানের মত মহৎ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছেন ? এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল শুক্রবার নদিয়ার মানুষ |
নদিয়ার ফুলিয়ায় জনরঞ্জন কেন্দ্রে অখিল ভারতীয় প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির পরিচালনায় আয়োজিত হল প্রতিবন্ধীদের নিয়ে রক্তদান শিবির | নদিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিবন্ধীরা এখানে উপস্থিত হয়েছেন রক্তদান করতে | ৬০ জনের মধ্যে মাত্র ১৮ জন রক্ত দিতে পেরেছেন | বাকী ৪২ জন প্রতিবন্ধী ওজনজনিত সমস্যার কারনে বাদ পরেছেন | ১৮ জন রক্তদাতার মধ্যে ৪ জন মহিলা ১৪ জন পুরুষ | এঁদের মধ্যে কথা বলতে পারেন না ৫ জন , দৃষ্টিহীন ৩ জন বাকি ১০ জন শারিরীক প্রতিবন্ধী | শান্তিপুরের বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের প্রতিমা চক্রবর্তী ও তাঁর ১৯ বছরের প্রতিবন্ধী অনিতা চক্রবর্তীকে নিয়ে এই রক্তদান শিবিরে যোগদান করেন | জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না | প্রতীমা দেবী বলেন আমার মেয়ের রক্তে যদি কারু প্রাণ বাঁচে তাহলে ক্ষতি কি ? সেও ত কারু না কারুর সন্তান | শান্তিপুরের সাহেবডাঙার সাহিদুল মণ্ডল বলেন প্রতিবন্ধী ত কি হয়েছে ? আমরাও মানুষের পাশে দাঁড়াবো , সাহায্য করব | তবেইতো মানুষ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে | আমরাও এখন পিছিয়ে নেই | যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও ঘুরে দাঁড়িয়েছি | শান্তিপুরের বাগ্দেবীতলার আশু সরকার বলেন যে সবাই জানুক যে প্রতিবন্ধীরাও পারে | তাঁরাও সমাজে অন্যান্য অংশের থেকে কোন অংশে কম নয় | সংগঠণের তরফ থেকে মলয় দে জানান প্রতিবন্ধীদের স্বণির্ভর করার জন্য ব্যাগ , বড়ি , সাবান তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে , যা ট্রেন পথে বিক্রি হচ্ছে | আর সেই লভ্যাংশ কোঅপারেটিভের মাধ্যমে সংগঠণের প্রত্যেকটা ছেলেমেয়ের ঘরে পৌঁছে দেবার ব্যাবস্থা করছেন | যাতে আগামীদিনে তাঁদের পড়াশুনো , শিক্ষা সম্পর্কিত ও বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা হয় | এদিন রক্তদানের পাশাপাশি ৯০ জন প্রতিবন্ধীকে থ্যালাসেমিয়া রোগ ও নির্ণয় করা হয় সংগঠণের পক্ষ থেকে |
নদিয়ার ফুলিয়ায় জনরঞ্জন কেন্দ্রে অখিল ভারতীয় প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির পরিচালনায় আয়োজিত হল প্রতিবন্ধীদের নিয়ে রক্তদান শিবির | নদিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিবন্ধীরা এখানে উপস্থিত হয়েছেন রক্তদান করতে | ৬০ জনের মধ্যে মাত্র ১৮ জন রক্ত দিতে পেরেছেন | বাকী ৪২ জন প্রতিবন্ধী ওজনজনিত সমস্যার কারনে বাদ পরেছেন | ১৮ জন রক্তদাতার মধ্যে ৪ জন মহিলা ১৪ জন পুরুষ | এঁদের মধ্যে কথা বলতে পারেন না ৫ জন , দৃষ্টিহীন ৩ জন বাকি ১০ জন শারিরীক প্রতিবন্ধী | শান্তিপুরের বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের প্রতিমা চক্রবর্তী ও তাঁর ১৯ বছরের প্রতিবন্ধী অনিতা চক্রবর্তীকে নিয়ে এই রক্তদান শিবিরে যোগদান করেন | জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না | প্রতীমা দেবী বলেন আমার মেয়ের রক্তে যদি কারু প্রাণ বাঁচে তাহলে ক্ষতি কি ? সেও ত কারু না কারুর সন্তান | শান্তিপুরের সাহেবডাঙার সাহিদুল মণ্ডল বলেন প্রতিবন্ধী ত কি হয়েছে ? আমরাও মানুষের পাশে দাঁড়াবো , সাহায্য করব | তবেইতো মানুষ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে | আমরাও এখন পিছিয়ে নেই | যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও ঘুরে দাঁড়িয়েছি | শান্তিপুরের বাগ্দেবীতলার আশু সরকার বলেন যে সবাই জানুক যে প্রতিবন্ধীরাও পারে | তাঁরাও সমাজে অন্যান্য অংশের থেকে কোন অংশে কম নয় | সংগঠণের তরফ থেকে মলয় দে জানান প্রতিবন্ধীদের স্বণির্ভর করার জন্য ব্যাগ , বড়ি , সাবান তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে , যা ট্রেন পথে বিক্রি হচ্ছে | আর সেই লভ্যাংশ কোঅপারেটিভের মাধ্যমে সংগঠণের প্রত্যেকটা ছেলেমেয়ের ঘরে পৌঁছে দেবার ব্যাবস্থা করছেন | যাতে আগামীদিনে তাঁদের পড়াশুনো , শিক্ষা সম্পর্কিত ও বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা হয় | এদিন রক্তদানের পাশাপাশি ৯০ জন প্রতিবন্ধীকে থ্যালাসেমিয়া রোগ ও নির্ণয় করা হয় সংগঠণের পক্ষ থেকে |

No comments