স্বাভাবিকভাবেই একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর নারীদের স্তন ঝুলে যেতে থাকে। নির্দিষ্ট সাইজের থেকে বেশি বড় স্তন হলে দেখতে দৃষ্টি কটু লাগে। একবার স্তন বড় হয়ে গেলে তা আর কিছুতেই ছোট করার উপায় নেই। স্তন বড় হলে চলা ফেরা থেকে শারীরিক নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

– তরুণী বয়সেই বেশি ভারী স্তন হলে নির্দিষ্ট বয়সের আগেই স্তনের আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়।
– বেশি ভারী স্তনে অনেক ক্ষেত্রেই আকৃতি সুডৌল হয় না, ত্বকে টাইট ভাব থাকে না। ফলে সৌন্দর্য হানি হয়।
– বেশি ভারী স্তনের কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে।
– সন্তান হবার পর স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি পায়। কম বয়সে বেশি ভারী স্তন হলে সন্তান জন্মের পর স্তন খুব বেশি বড় হয়ে যায় যা দৃষ্টিকটু লাগে ও নানানরকম সমস্যা তৈরি করে।
ভারী স্তনে মোটামুটি এই সমস্যা গুলোই হয়। তবে শারীরিক সমস্যা ছাড়াও হতে পারে কিছু সম্পর্কগত সমস্যা। যেমন, স্তনের সুডৌল ভাব নিয়ে স্বামীর আপত্তি থাকতে পারে। বা তিনি মনে করতে পারেন যে আপনার বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। যা আপনার সুখের সংসারে লাল বাতি জ্বালিয়ে দিতে পারে। তাই বেস্টপাম্প ও এযাতীয় বস্ত যত কম ব্যবহার করা যায় ততই উত্তম। তবে বংশীয় কারণও এখানে উল্লেখ যোগ্য, অনেকেই মা-খালাদের ধারা পেয়ে থাকেন। যাতে তাদের স্তন স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বড় হয়।
অল্প বয়সে স্তন বড়
অনেক কিশোরীকেই অল্প বয়সে বড় স্তন হওয়ার কারনে অনেক বিপদে পড়তে হয়। পুরুষদের কু নজর ছাড়াও বান্ধুবিদের কাছে হাসির পাত্র হতে হয়। অনেক সময় মানসিক ভাবে একেবারেই ভেঙ্গে পড়ে মেয়েটি। তবে কয়েকটি সহজ কাজ এ কষ্ট থেকে সহজেই দিতে পারে মুক্তি –
১। স্পোর্টস ব্রা ব্যবহার করুন।
২। ওড়নাটা দিয়ে বুকটা সুন্দর ভাবে ঢেকে দিন।
৩। শাড়ি যতটা সম্ভব কিছুদিন এড়িয়ে চলাই ভালো।
৪। একটু হাল্কা কালারের ড্রেস পরুন ।
৫। জিনস এর সাথে লং ফতুয়া আর ডিপ কালারের জরজেটের ওড়না ব্যবহার করতে পারেন।
৬। ফোম দেয়া ব্রা যতটা পারুন এড়িয়ে চলুন।
৭। ব্রার সাথে সেমিজ ব্যবহার করতে পারেন।
৮। স্তন ঢাকতে মাথার চুল বড় ও খোলা রেখে সামনের দিকে দিয়ে দিলে অনেক কিউট লাগবে।

– তরুণী বয়সেই বেশি ভারী স্তন হলে নির্দিষ্ট বয়সের আগেই স্তনের আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়।
– বেশি ভারী স্তনে অনেক ক্ষেত্রেই আকৃতি সুডৌল হয় না, ত্বকে টাইট ভাব থাকে না। ফলে সৌন্দর্য হানি হয়।
– বেশি ভারী স্তনের কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে।
– সন্তান হবার পর স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি পায়। কম বয়সে বেশি ভারী স্তন হলে সন্তান জন্মের পর স্তন খুব বেশি বড় হয়ে যায় যা দৃষ্টিকটু লাগে ও নানানরকম সমস্যা তৈরি করে।
ভারী স্তনে মোটামুটি এই সমস্যা গুলোই হয়। তবে শারীরিক সমস্যা ছাড়াও হতে পারে কিছু সম্পর্কগত সমস্যা। যেমন, স্তনের সুডৌল ভাব নিয়ে স্বামীর আপত্তি থাকতে পারে। বা তিনি মনে করতে পারেন যে আপনার বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। যা আপনার সুখের সংসারে লাল বাতি জ্বালিয়ে দিতে পারে। তাই বেস্টপাম্প ও এযাতীয় বস্ত যত কম ব্যবহার করা যায় ততই উত্তম। তবে বংশীয় কারণও এখানে উল্লেখ যোগ্য, অনেকেই মা-খালাদের ধারা পেয়ে থাকেন। যাতে তাদের স্তন স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বড় হয়।
অল্প বয়সে স্তন বড়
অনেক কিশোরীকেই অল্প বয়সে বড় স্তন হওয়ার কারনে অনেক বিপদে পড়তে হয়। পুরুষদের কু নজর ছাড়াও বান্ধুবিদের কাছে হাসির পাত্র হতে হয়। অনেক সময় মানসিক ভাবে একেবারেই ভেঙ্গে পড়ে মেয়েটি। তবে কয়েকটি সহজ কাজ এ কষ্ট থেকে সহজেই দিতে পারে মুক্তি –
১। স্পোর্টস ব্রা ব্যবহার করুন।
২। ওড়নাটা দিয়ে বুকটা সুন্দর ভাবে ঢেকে দিন।
৩। শাড়ি যতটা সম্ভব কিছুদিন এড়িয়ে চলাই ভালো।
৪। একটু হাল্কা কালারের ড্রেস পরুন ।
৫। জিনস এর সাথে লং ফতুয়া আর ডিপ কালারের জরজেটের ওড়না ব্যবহার করতে পারেন।
৬। ফোম দেয়া ব্রা যতটা পারুন এড়িয়ে চলুন।
৭। ব্রার সাথে সেমিজ ব্যবহার করতে পারেন।
৮। স্তন ঢাকতে মাথার চুল বড় ও খোলা রেখে সামনের দিকে দিয়ে দিলে অনেক কিউট লাগবে।
No comments