অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি দিন কয়েক ধরে দিনের তাপমাত্রা যথেষ্ট কমেছে মুর্শিদাবাদেরও। আজ (শনিবার) সকালে জেলার তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রিতে। গত সোমবার থেকে টানা ২ দিন বৃষ্টির পর হঠাৎ করে দিনের তাপমাত্রা কমে গিয়েছে অনেকটাই। সারাদিন কমবেশি ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বইছে উত্তুরে হাওয়া, ফলে ক্রমশ কমেই চলেছে রোদের উষ্ণতা। সকালের দিকে ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় লোকজন দেখা যাচ্ছে খুব কম। পথ দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়ি চালকরা যথারীতি ব্যবহার করছে গাড়ির হেড লাইট। শীতের কামড়ে সদর শহরের ব্যারাক স্কোয়ার ময়দানে সকালে শরীরচর্চা করতে আসা লোকজনদেরও আনাগোনা কমেছে অনেকটাই। অন্যদিকে কিছু মানুষ যেন তাড়িয়ে তাড়িয়ে পৌষের এই শীতের মজা অনুভব করতে চাইছে নিজের মতো করে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে খেলার মাঠ, এককথায় যেখানেই একাধিক ব্যক্তির সমাগম সেখানেই শীতের কামড় থেকে রেহাই পেতে জ্বালানো হচ্ছে আগুন। তবে রুজিরুটির জন্য হাড় কাঁপানো এই শীতেও পথে নেমেছে হকার থেকে শুরু করে সাফাই কর্মী সকলেই।
অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি দিন কয়েক ধরে দিনের তাপমাত্রা যথেষ্ট কমেছে মুর্শিদাবাদেরও। আজ (শনিবার) সকালে জেলার তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রিতে। গত সোমবার থেকে টানা ২ দিন বৃষ্টির পর হঠাৎ করে দিনের তাপমাত্রা কমে গিয়েছে অনেকটাই। সারাদিন কমবেশি ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বইছে উত্তুরে হাওয়া, ফলে ক্রমশ কমেই চলেছে রোদের উষ্ণতা। সকালের দিকে ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় লোকজন দেখা যাচ্ছে খুব কম। পথ দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়ি চালকরা যথারীতি ব্যবহার করছে গাড়ির হেড লাইট। শীতের কামড়ে সদর শহরের ব্যারাক স্কোয়ার ময়দানে সকালে শরীরচর্চা করতে আসা লোকজনদেরও আনাগোনা কমেছে অনেকটাই। অন্যদিকে কিছু মানুষ যেন তাড়িয়ে তাড়িয়ে পৌষের এই শীতের মজা অনুভব করতে চাইছে নিজের মতো করে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে খেলার মাঠ, এককথায় যেখানেই একাধিক ব্যক্তির সমাগম সেখানেই শীতের কামড় থেকে রেহাই পেতে জ্বালানো হচ্ছে আগুন। তবে রুজিরুটির জন্য হাড় কাঁপানো এই শীতেও পথে নেমেছে হকার থেকে শুরু করে সাফাই কর্মী সকলেই।

No comments