গোটা উত্তরবঙ্গ তো বটেই রাজ্যের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাকা চেকিং পয়েন্ট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে অসম-বাংলা সীমানার পাকরিগুড়ি নাকা চেকিং পয়েন্ট। দুই রাজ্যের সীমানা থেকে কয়েক কদম দূরে চেকিং পয়েন্টটির অবস্থান। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস কিংবা কোনো ভিভিআইপির সফরের আগে নাশকতা ও অপরাধমূলক কাজকর্ম এড়াতে যেভাবে তল্লাশি চালানো হয়, ঠিক সেই ধাঁচেই অসমে যাতায়াতকারী সমস্ত গাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম থানার বারবিশা ফাঁড়ির পুলিশ ওই চেকিং পয়েন্টে নজরদারি চালায়। পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার ছাড়াও প্রশিক্ষিত স্ট্রেকো বাহিনী মোতায়েন রয়েছে ওই চেকিং পোস্টে। দুষ্কর্ম করে দুষ্কৃতিরা যেন এ রাজ্যে প্রবেশ করতে না পারে কিংবা এ রাজ্য ছেড়ে অসমে ঢুকতে না পারে তার জন্য পাকরিগুড়ি নাকা চেকিং পয়েন্টে সদা সতর্ক রয়েছে পুলিশ। চলতি বছরের ২৮ অক্টোবর পাকরিগুড়ির ওই নাকা চেকিং পয়েন্ট পরিদর্শনে আসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। ডিজির সাথে পুলিশের একাধিক কর্তা ওইদিন নাকা চেকিং পয়েন্টটি পরিদর্শন করেন। সীমানার নিরাপত্তা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন পুলিশ কর্তারা। এর আগেও একাধিকবার ওই নাকা চেকিং পয়েন্ট পরিদর্শন করেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। সুষ্ঠুভাবে নাকা চেকিংয়ের কাজ চালানোর জন্য কয়েকমাস আগে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একজন পুলিশ আধিকারিককে ওই নাকা চেকিং পয়েন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়। আশানুরূপ ফলও মেলে হাতেনাতে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে অসম হয়ে লরির ভেতর গাঁজা পাচার হোক কিংবা সুদূর হরিয়ানা থেকে প্রেমিকাকে অপহরণ হোক - সব ক্ষেত্রেই বড় সাফল্য পায় পুলিশ। ওই নাকা চেকিং পয়েন্টে এসে পুলিশের তীক্ষ নজরদারিতে ধরা পড়ে যায় দুষ্কৃতিরা। দিন কয়েক আগে অসম থেকে আসা চোরাই সেগুন কাঠ বোঝাই একটি লরি আটক করে নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ওই নাকা চেকিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ বড় ধরণের সাফল্য পেয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নাকা চেকিং পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যার মাধ্যমে পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তারা নাকার উপর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি চালাচ্ছেন। সুষ্ঠুভাবে নজরদারি চালানোর জন্য একটি নজর মিনারও তৈরি করা হয়েছে। সেখানে লাগানো হয়েছে লাইট। তথ্য বলছে, অসমে কিছুদিন পর পরই অশান্তির খবর শোনা যায়। অসম থেকে অশান্তির আঁচ যেন এরাজ্যের মাটি স্পর্শ করতে না পারে তার জন্য সদা সতর্ক এ রাজ্যের কুমারগ্রাম থানার পুলিশ। অশান্তি এড়াতে সীমানার ওই এলাকায় সদা সক্রিয় রয়েছে পুলিশ। স্বাভাবিক ভাবেই দিন দিন পাকরিগুড়ি নাকা চেকিং পয়েন্টের গুরুত্ব বাড়ছে। অপরাধমূলক কাজকর্ম রোধে একাধিক সাফল্য মেলায় রাজ্যের বড় পুলিশ কর্তাদের প্রশংসা কুড়িয়ে ওই নাকা চেকিং পয়েন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা। পাকরিগুড়ির নাকা চেকিং পয়েন্ট প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশের উত্তরবঙ্গের এডিজি তথা আইজি আনন্দ কুমার বলেন, অসম-বাংলা সীমানায় নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। আলিপুরদুয়ার জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফ নেই, রয়েছে এসএসবি। আর অসম-বাংলা সীমানার নিরাপত্তা রাজ্য পুলিশ দেখে। ওখানে সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সীমানায় আরও ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হবে।
গোটা উত্তরবঙ্গ তো বটেই রাজ্যের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাকা চেকিং পয়েন্ট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে অসম-বাংলা সীমানার পাকরিগুড়ি নাকা চেকিং পয়েন্ট। দুই রাজ্যের সীমানা থেকে কয়েক কদম দূরে চেকিং পয়েন্টটির অবস্থান। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস কিংবা কোনো ভিভিআইপির সফরের আগে নাশকতা ও অপরাধমূলক কাজকর্ম এড়াতে যেভাবে তল্লাশি চালানো হয়, ঠিক সেই ধাঁচেই অসমে যাতায়াতকারী সমস্ত গাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম থানার বারবিশা ফাঁড়ির পুলিশ ওই চেকিং পয়েন্টে নজরদারি চালায়। পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার ছাড়াও প্রশিক্ষিত স্ট্রেকো বাহিনী মোতায়েন রয়েছে ওই চেকিং পোস্টে। দুষ্কর্ম করে দুষ্কৃতিরা যেন এ রাজ্যে প্রবেশ করতে না পারে কিংবা এ রাজ্য ছেড়ে অসমে ঢুকতে না পারে তার জন্য পাকরিগুড়ি নাকা চেকিং পয়েন্টে সদা সতর্ক রয়েছে পুলিশ। চলতি বছরের ২৮ অক্টোবর পাকরিগুড়ির ওই নাকা চেকিং পয়েন্ট পরিদর্শনে আসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। ডিজির সাথে পুলিশের একাধিক কর্তা ওইদিন নাকা চেকিং পয়েন্টটি পরিদর্শন করেন। সীমানার নিরাপত্তা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন পুলিশ কর্তারা। এর আগেও একাধিকবার ওই নাকা চেকিং পয়েন্ট পরিদর্শন করেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। সুষ্ঠুভাবে নাকা চেকিংয়ের কাজ চালানোর জন্য কয়েকমাস আগে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একজন পুলিশ আধিকারিককে ওই নাকা চেকিং পয়েন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়। আশানুরূপ ফলও মেলে হাতেনাতে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে অসম হয়ে লরির ভেতর গাঁজা পাচার হোক কিংবা সুদূর হরিয়ানা থেকে প্রেমিকাকে অপহরণ হোক - সব ক্ষেত্রেই বড় সাফল্য পায় পুলিশ। ওই নাকা চেকিং পয়েন্টে এসে পুলিশের তীক্ষ নজরদারিতে ধরা পড়ে যায় দুষ্কৃতিরা। দিন কয়েক আগে অসম থেকে আসা চোরাই সেগুন কাঠ বোঝাই একটি লরি আটক করে নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ওই নাকা চেকিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ বড় ধরণের সাফল্য পেয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নাকা চেকিং পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যার মাধ্যমে পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তারা নাকার উপর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি চালাচ্ছেন। সুষ্ঠুভাবে নজরদারি চালানোর জন্য একটি নজর মিনারও তৈরি করা হয়েছে। সেখানে লাগানো হয়েছে লাইট। তথ্য বলছে, অসমে কিছুদিন পর পরই অশান্তির খবর শোনা যায়। অসম থেকে অশান্তির আঁচ যেন এরাজ্যের মাটি স্পর্শ করতে না পারে তার জন্য সদা সতর্ক এ রাজ্যের কুমারগ্রাম থানার পুলিশ। অশান্তি এড়াতে সীমানার ওই এলাকায় সদা সক্রিয় রয়েছে পুলিশ। স্বাভাবিক ভাবেই দিন দিন পাকরিগুড়ি নাকা চেকিং পয়েন্টের গুরুত্ব বাড়ছে। অপরাধমূলক কাজকর্ম রোধে একাধিক সাফল্য মেলায় রাজ্যের বড় পুলিশ কর্তাদের প্রশংসা কুড়িয়ে ওই নাকা চেকিং পয়েন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা। পাকরিগুড়ির নাকা চেকিং পয়েন্ট প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশের উত্তরবঙ্গের এডিজি তথা আইজি আনন্দ কুমার বলেন, অসম-বাংলা সীমানায় নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। আলিপুরদুয়ার জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফ নেই, রয়েছে এসএসবি। আর অসম-বাংলা সীমানার নিরাপত্তা রাজ্য পুলিশ দেখে। ওখানে সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সীমানায় আরও ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হবে।

No comments