প্রেস কার্ড নিউজ, বিনোদনঃ কথায় আছে দাঁত থাকতে
দাঁতের মর্ম বোঝে না। আপনাকে
যাতে এমন কথা
শুনতে না হয়
সেজন্যই আজ আমরা দেব এমন
কিছু ঘরোয়া উপাদানের পরামর্শ যা আপনার দাঁতকে রাখবে ধবধবে ও উজ্জ্বল সাদা। যা মেনে
চললে আপনার দাঁতের
কোনও ক্ষয় তো
হবেই না, সেই
সঙ্গে বুড়ো বয়সে
দাঁত পড়ে যাওয়ার
চিন্তাও দূর হবে। দাঁতের ক্ষয়
হওয়ার পেছনে মূলত
আমাদের খাদ্যাভ্যাস নির্ভর করে।শুধু কী খাবার,
সেই সঙ্গে খাবার
খেয়ে ঠিক মতো
মুখ না ধোওয়া,
দাঁতের যত্ন না
করার মতো বিষয়ও
দাঁতের ক্ষয়ের পিছনে
বিশেষ ভূমিকা পালন
করে থাকে।এই বদঅভ্যাসগুলি ছাড়ার
সঙ্গে সঙ্গে যদি
নিয়ম করে এই
লেখায় আলোচিত ঘরোয়া
দাওয়াইগুলো মেনে চলা
যায়,
তাহলে দাঁত নিয়ে
আর কখনও চিন্তাই
করতে হবে না।
নিয়মিত দাঁতের তেল মালিশ করা। সহজ কথায় বিশেষ কিছু তেল দিয়ে কুলকুচি করাকে বোঝানো হয়ে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ চামচ নারকেল তেল নিয়ে কুলকুচি করার পর যদি গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলা যায়, তাহলে দাঁতের ক্ষয় হওয়ার ভয় অনেকটাই কমে আসে। প্রসঙ্গত, নারকেল তেল দিয়ে কম করে ২০ মিনিট কুলিকুচি করতে হবে, তবেই সুফল মিলবে।
হলুদে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ দাঁতে পোকা লাগতে দেয় না। এক্ষেত্রে প্রথমে হাফ চামচ হলুদ গুঁড়োতে পরিমাণ মতো জল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিয়ে সেই পেস্টটা ব্রাশে লাগিয়ে দিনে কম করে দুবার দাঁত মাজুন।কয়েকমাস করলে দাঁত নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকবে না।
পেয়ারা পাতার মতো প্রাকৃতিক উপাদানটি দাঁতের সুরক্ষায় কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান দাঁতের স্বাস্থ্যকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।দাঁতের সুরক্ষায় ১-২টা পেয়ারা পাতা নিয়ে কিছুক্ষণ চিবিয়ে ফেলে দিতে হবে। এতে পেয়ারা পাতার রস দাঁতের ভেতরে প্রবেশ করে দাঁতকে সুরক্ষিত রাখবে।
তুলসি পাতা মুখের ভেতরে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলার মধ্যে দিয়ে একদিক মুখের দুর্গন্ধ যেমন দূর করে, তেমনি ক্যাভিটি এবং প্লাকের মতো সমস্যাকেও ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা নিয়ে রোদে শুকিয়ে একটা পাউডার বানিয়ে সেই পাউডার দিয়ে প্রতিদিন দাঁত মাজলেই পাবেন হাতেনাতে উপকার।
পিপারমেন্ট
পাতা এক গ্লাস
জলে পরিমাণ মতো
ফেলে জলটা ফুটিয়ে
নিন। যখন দেখবেন
জলটা ভাল রকম
ফুটতে শুরু করেছে,
তখন আঁচটা বন্ধ
করে,
জলটা ছেঁকে নিয়ে
ভাল করে সেই
জল দিয়ে কুলকুচি
করুন। তাহলেই দেখবেন
কেল্লাফতে!
দাঁতের পাশাপাশি শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে প্রতিদিন ১-২টা আমলকি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি শরীরে প্রবেশ করার পর শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় না, সেই সঙ্গে দাঁতের বাইরের স্তরকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে ক্যাভিটি হোক কী ব্যাকটেরিয়া, কোনও কিছুই ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না।
(ইন্টারনেট কর্তৃক সংগৃহীত)

No comments