রথযাত্রা হলে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেঃ রাহুল সিনহা
বারাসতঃ রাজ্যে রথযাত্রা বেরোলে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তাই, তৃণমূল যেনতেন প্রকারে রথ আটকানোর চেষ্টা করছে। শুক্রবার বারাসতে বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলনে একথা বললেন দলের কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাহুল সিনহা। এদিন বিজেপির আইন অমান্য নিয়ে যে পরিমাণ তোড়জোড় ছিল, কার্যত তা পর্বতের মূষিক প্রসব ছাড়া কিছু নয়। রাহুল সিনহারা টোকেন গ্রেপ্তার বরণ করে সঙ্গে সঙ্গে বেলও পেয়ে যান।
আজ বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলন ঘিরে বারাসতে জেলাশাসকের কার্যালয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। তিন দিন আগে বসিরহাটে বিজেপির আইন অমান্য অান্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তাই আগাম সতর্ক ছিল পুলিশ। জেলার প্রায় সব থানার আইসি ও ওসিরা ছিলেন। তৈরি RAF ও কমব্যাট ফোর্স। মজুত ছিল জলকামানও। জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, এসডিপিও বারাসত দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ জেলার পদস্থ পুলিশ কর্তারা হাজির ছিলেন। জেলাশাসকের কার্যালয়ে প্রবেশের সব ক'টি পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বেলা একটা নাগাদ জেলাশাসকের কার্যালয়ের উলটো দিকে মঞ্চ করা হয়েছিল। বারাসত হাটখোলা থেকে মিছিল করে রাহুল সিনহা বিক্ষোভ মঞ্চে আসেন। ছিলেন অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও জেলা সভাপতি প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল তিনটে নাগাদ আইন অমাম্য শুরু হয়। রাহুল-প্রদীপরা পুলিশের সঙ্গে মাত্র তিন মিনিট ঠেলাঠেলি করে রণেভঙ্গ দেন। পুলিশ মাইকে তাঁদের টোকেন গ্রেপ্তারের কথা ঘোষণা করে সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিও ঘোষণা করে দেয়।
গত ২৪ ডিসেম্বর বসিরহাটে বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলন ঘিরে তুমুল অশান্তি হয়েছিল। বিজেপি কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। পুলিশও পালটা লাঠিচার্জ করেছিল। সেদিন বিজেপির ওই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেদিন আন্দোলনের ঝাঁঝ থাকলেও আজ ছিল ম্যাড়মেড়ে আন্দোলন।
বারাসতঃ রাজ্যে রথযাত্রা বেরোলে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তাই, তৃণমূল যেনতেন প্রকারে রথ আটকানোর চেষ্টা করছে। শুক্রবার বারাসতে বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলনে একথা বললেন দলের কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাহুল সিনহা। এদিন বিজেপির আইন অমান্য নিয়ে যে পরিমাণ তোড়জোড় ছিল, কার্যত তা পর্বতের মূষিক প্রসব ছাড়া কিছু নয়। রাহুল সিনহারা টোকেন গ্রেপ্তার বরণ করে সঙ্গে সঙ্গে বেলও পেয়ে যান।
আজ বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলন ঘিরে বারাসতে জেলাশাসকের কার্যালয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। তিন দিন আগে বসিরহাটে বিজেপির আইন অমান্য অান্দোলনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তাই আগাম সতর্ক ছিল পুলিশ। জেলার প্রায় সব থানার আইসি ও ওসিরা ছিলেন। তৈরি RAF ও কমব্যাট ফোর্স। মজুত ছিল জলকামানও। জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, এসডিপিও বারাসত দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ জেলার পদস্থ পুলিশ কর্তারা হাজির ছিলেন। জেলাশাসকের কার্যালয়ে প্রবেশের সব ক'টি পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বেলা একটা নাগাদ জেলাশাসকের কার্যালয়ের উলটো দিকে মঞ্চ করা হয়েছিল। বারাসত হাটখোলা থেকে মিছিল করে রাহুল সিনহা বিক্ষোভ মঞ্চে আসেন। ছিলেন অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও জেলা সভাপতি প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল তিনটে নাগাদ আইন অমাম্য শুরু হয়। রাহুল-প্রদীপরা পুলিশের সঙ্গে মাত্র তিন মিনিট ঠেলাঠেলি করে রণেভঙ্গ দেন। পুলিশ মাইকে তাঁদের টোকেন গ্রেপ্তারের কথা ঘোষণা করে সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিও ঘোষণা করে দেয়।
গত ২৪ ডিসেম্বর বসিরহাটে বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলন ঘিরে তুমুল অশান্তি হয়েছিল। বিজেপি কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। পুলিশও পালটা লাঠিচার্জ করেছিল। সেদিন বিজেপির ওই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেদিন আন্দোলনের ঝাঁঝ থাকলেও আজ ছিল ম্যাড়মেড়ে আন্দোলন।

No comments