প্রচণ্ড আবেগের সাথে সেক্স কাজটি না করা গেলে একদম ভালো লাগে না।মূলত ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের কাছে সেক্স অনেক গভীর আবেদনের ও আবেগময় বিষয়।যৌন ইচ্ছার জন্য যে হরমোন দায়ী তার নাম টেস্টোস্টেরন। পুরুষদের এই হরমোন বেশি তৈরি হয়। সুতরাং তাত্ত্বিকভাবে পুরুষের যৌন ইচ্ছা প্রবল হওয়া উচিত। ব্যক্তিত্ব, অ্যাড্রিনালিন মনের অবস্থা, এসবও যৌন ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে। তাই দেখা যায় কোনো কোনো মেয়ের যৌন ইচ্ছা পুরুষদের চেয়ে প্রবল।এর পেছনের কারণ উদ্ভাবনের চেষ্টা করেছেন গবেষকরা।
সম্পর্কের বাঁধনের ক্ষেত্রে নরের সাথে নারীর সম্পর্কের স্তর রয়েছে। সম্পর্কের দীর্ঘসূত্রিতা নির্ভর করে তাদের মধ্যকার বিভিন্ন আবেগীয় লেনদেনের উপর। নারী তার সব সময় সঙ্গীর প্রতি চরমভাবে দুর্বল হয়ে তাকে নিজের জীবনের অংশ করতে যৌনতায় লিপ্ত হয়। নিজের কামনা বাসনা ও যাবতীয় সবকিছু নারী উজাড় করে দেয় সঙ্গীর কাছে। তবে নতুন পুরুষের কাছে বিভিন্ন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকেন নারীরা। আর তাই একেবারে আপন করে নিতে নারীরা সঙ্গম করেন।সম্পর্ক বিষয়ক সুসান কুলিয়াম জানিয়েছেন, পশ্চিমে তত্ত্বীয়ভাবে যেকোনো নারী যেকোনো পুরুষের সাথে সেক্স করতে পারেন। তবে আমরা এখনো জানিনা এই নারীদের কী দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখা উচিত। নারীদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা রয়েছে জানি, কিন্তু অতিমাত্রায় নয়। আর যার রয়েছে সে নারী মানসিকভাবে অসুস্থ। কিন্তু একজন পুরুষকে ভালোবেসে তার সাথে জুটি গড়ার ক্ষেত্রে যৌনতা উপভোগ্য হয়ে উঠে। তা হয় নারীর মানসিক সুখ।
নারীদের যৌনতার বিষয়ে যদি সমাজ অনিশ্চিত থাকে, তবে নারীরা কিভাবে নিজেদের নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নিরাপদ বোধ করবে? বহু মন্তব্য নারীদের যৌন আকাঙ্খাকে ভিন্ন দিকে পরিচালিত করে। নারীরা আপনজনদের শুধুমাত্র আপন করে নিতেই নয়, তার জৈবিক চাহিদার তৃপ্তিকর অনুভূতিও আশা করেন।
‘রিরাইটিং দ্য রুলস’ গ্রন্থের লেখক এবং সম্পর্ক বিষয়ক থেরাপিস্ট মেগ বার্কার বলেন, যৌনতায় নারীরা বেশ সুখ আশা করেন। তবে বিছানায় পুরুষদের বেশি সতর্ক থাকতে হয় তৃপ্তিকর করতে। কারণ বর্তমান যুগে নারীদের যৌনতায় সুখই বেশি প্রাধান্য পায়। যৌনতা এখন নারী কেন্দ্রিক।
সেক্সের উপকারীতা..
১.শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা? পেইন কিলার খেতে হবে? পরে খাবেন। আগে একবার টুক করে সেক্স উপভোগ করে নিন। তারপর নিজেই অনুভব করবেন, আপনার যন্ত্রণা ভ্যানিশ!
২.রাতে ঘুম আসে না? খুব চিন্তা মাথায়? কীভাবে কমবে? এই চিন্তায় আরও ঘুম আসছে না চোখে? এত চিন্তা করবেন না। সেক্স করুন আর উপভোগের শেষে বিছানায় শরীর এলিয়ে দিন। দেখবেন আপনার চোখে কখন ঘুম নেমে এসেছে।
৩.সেক্স করলে শরীরে ক্ষতিকর জীবানু বাসা বাধতে পারে না। গবেষকরা রীতিমতো পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, যারা সপ্তাহে অন্তত দুবার সেক্স করেন, তাদের শরীরে ক্ষতিকর জীবানু তুলনায় কম থাকে। তাই শরীরের জীবানু রুখতে হরদম সেক্স করুন নিজের সঙ্গী অথবা সঙ্গীনীর সঙ্গে।
from Breaking Kolkata http://bit.ly/2uSYwxr
from DNAবাংলা http://bit.ly/2Kkh5Fn

No comments