কাশ্মীরের অপরূপ সৌন্দর্যের কথা কার অজানা? বিশ্বে এই স্থানটি ‘ভূ-স্বর্গ’ বলে পরিচিত। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে জানুন ভূ-স্বর্গখ্যাত কাশ্মীরে ভ্রমণের বিস্তারিত।
শ্রীনগর থেকে গুলমার্গ যাওয়ার পথের দৃশ্যই আপনার ভ্রমণ পিয়াসী মন কানায় কানায় ভরে উঠবে ।
ভূস্বর্গ বলে কথা! যেখানে এসে স্বয়ং মোগল সম্রাটজাহাঙ্গীর নাকি বলেছিলেন,‘পৃথিবীতে যদিকোথাও স্বর্গ থাকে, তবে তা এখানেই আছে, এখানেই আছে এবং এখানেই আছে।’ এমন জায়গায় কে না যেতে চায়?
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাত হাজার ফুট ওপরে সবুজউপত্যকা আর শান্ত হ্রদে ঘেরা কাশ্মীরে এসেআপনার কাছে মনে হবে, সময়টা বুঝি হঠাৎথেমে গেছে।
ভূস্বর্গ বলে কথা! যেখানে এসে স্বয়ং মোগল সম্রাটজাহাঙ্গীর নাকি বলেছিলেন,‘পৃথিবীতে যদিকোথাও স্বর্গ থাকে, তবে তা এখানেই আছে, এখানেই আছে এবং এখানেই আছে।’ এমন জায়গায় কে না যেতে চায়?
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাত হাজার ফুট ওপরে সবুজউপত্যকা আর শান্ত হ্রদে ঘেরা কাশ্মীরে এসেআপনার কাছে মনে হবে, সময়টা বুঝি হঠাৎথেমে গেছে। সবকিছু ছবির মতো।
কোটি বুনো ফুলে ঢাকা উপত্যকায় ছুটে বেড়ানো ঘোড়ার দল, পাইন, ফার, বার্চগাছের সারি, নীল আকাশেমাথা গুঁজে থাকা পর্বতজুড়ে মেঘেদের খেলা, সেখান থেকে নেমে আসা দুরন্ত ঝর্ণারনাচ, পর্বতমালারভেতর দিয়ে এঁকেবেঁকে চলা রাস্তা, কখনো মাটি থেকে হাজার হাজার ফুট ওপরে, কখনো বা ঢাল বেয়েসটান নিচে, কখনো ঘুটঘুটে অন্ধকার সুড়ঙ্গের ভেতরে, আবার কখনো রাস্তার ধারালো বাঁকে গভীর গিরিখাদের নিচে উন্মত্ত পাহাড়ি নদী। সব মিলিয়ে যেন একটা স্বপ্ন দেখার মতো অভিজ্ঞতা।
সোনামার্গ : সোনামার্গ এর অবস্থান শ্রীনগর-লাদাখ মহাসড়কের পাশে। শ্রীনগর থেকে উত্তর-পূর্বে আড়াই ঘণ্টার পথ। সোনামার্গ বিখ্যাত থাজিওয়াজ হিমবাহের জন্য। যেখানে চাইলেই যাওয়া সম্ভব। মহাসড়ক থেকে পায়ে হেঁটে যেতে আসতে সময় লাগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। যদি হাঁটতে না পারেন, তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে টাট্টু ঘোড়া। ঘোড়ায় চড়ে উপভোগ করে আসুন থাজিওয়াজ হিমবাহের বিস্ময়কর সৌন্দর্য। এ জন্য ঘোড়ার মালিককে দিতে হবে ৬০০ রুপি। তবে দর কষাকষির সুযোগ রয়েছে। সুতরাং, এই সুযোগ কাজে লাগানো যেতে পারে।আরো একটি বিকল্প উপায় হিসেবে রয়েছে ট্যাক্সি। তবে পথের শেষ পর্যন্ত ট্যাক্সি যেতে পারে না। ফলে এক পর্যায়ে নেমে আপনাকে হাঁটতেই হবে।বলিউডের বহু সিনেমার চিত্রায়ন হয়েছে এখানে। এবার নিশ্চই বোঝা যাচ্ছে কত সুন্দর জায়গা! থাকা খাওয়া নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। নানান ক্যাটাগরির ব্যবস্থা রয়েছে। এদের মধ্যে ‘আহসান মাউন্ট রিসোর্ট’ সবচেয়ে চমৎকার। এখানে তাবু নিবাসেরও ব্যবস্থা রয়েছে। সামর্থের মধ্যে হোটেল ‘স্নোল্যান্ড’ থাকার জন্য ভালো একটি জায়গা হতে পারে।
গুলমার্গ : ফুলের রাজ্য বলে খ্যাত গুলমার্গ। হাজারও ফুলে বর্ণিল হয়ে থাকে এখানকার প্রকৃতি। শ্রীনগর থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার দূরত্ব। এখানে ইন্ডিয়ান সনাতনী পদ্ধতিতে স্কি করার ব্যবস্থার পাশাপাশি রয়েছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ উঁচুতে কেবল কার। ১৩ হাজার ফুটেরও অধিক উচ্চতা থেকে উপভোগ করা যায় মাউন্ট ’আফারওয়াত’ এর অনবদ্য দৃশ্য। খুব বেশি জনপ্রিয় হওয়ায় টিকিট কাটতে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে ইন্টারনেটে টিকিট কেটে রাখতে হবে। যদিও টিকিট কাটার পর কেবল কারে আরোহণের দীর্ঘ লাইনে আপনাকে দাঁড়াতেই হবে। এমন মনোরম পরিবেশে দু’এক দিন থেকে যেতে চাইলে ‘খাইবার হিমালয়ান রিসোর্ট এ্যান্ড স্পা’ হবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও ভালো জায়গা।
from Breaking Kolkata http://bit.ly/2Gr8Za6
from DNAবাংলা http://bit.ly/2X99wTo



No comments