Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

Recent

শারীরিক সম্পর্কে অভ্যস্ত মেয়েদের চেনার উপায়?

শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া কোন নারীকে বাহ্যিকভাবে চেনার তেমন কোনো উপায় নেই। অনেকে সতিচ্ছেদ পর্দাকে এটা চেনার উপায় মনে করে থাকেন। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে এটি নিছক একটি আংশিক আবরণকারী পর্দা মাত্র, এমনকি অনেক নারী এই পর্দা ছাড়…



শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া কোন নারীকে বাহ্যিকভাবে চেনার তেমন কোনো উপায় নেই। অনেকে সতিচ্ছেদ পর্দাকে এটা চেনার উপায় মনে করে থাকেন। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে এটি নিছক একটি আংশিক আবরণকারী পর্দা মাত্র, এমনকি অনেক নারী এই পর্দা ছাড়াও জন্ম গ্রহন করেন অথবা সাঁতার, ব্যায়ামের কারণের এই পর্দা ছিড়ে যেতেও পারে।

তবে আমরা প্রায় সবাই জানি যে প্রথম মিলনে নারীদৈর হাইমেন বা সতীচ্ছেদ হয়ে থাকে। এই সতীচ্ছেদের বিষয়টি পরীক্ষা করেই বোঝ অসম্ভব যে নারীটি পূর্বে কোনো শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন কিনা। তবে অনেক সময় এটি প্রাকৃতিকভাবেই মাঝে মাঝে ছিঁড়ে যায়।  ফলে কোনো নারীর পূর্বে থেকেই সতীচ্ছেদ থাকা মানেই এই না যে তিনি অবশ্যই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন।

উল্লেখ্য কোনো নারী একাধিক পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছে কি না এর কোনো নির্দিষ্ট ডাক্তারি পরীক্ষা নেই যদি না ঘটনার মুহূর্তেই ডিএনএ পরীক্ষা না করা হয়ে থাকে। হাইমেন শব্দটি গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে। যার বাংলা অর্থ স্বতীচ্ছদ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হাইমেন বা স্বতীচ্ছদ অর্ধচন্দ্রাকার একপ্রকার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী যা স্ত্রী যোনিমূখ ঘিরে থাকে। এটি শরীরের অতি জরুরী অঙ্গের একটি।

বয়স যত বাড়তে থাকে স্বতীচ্ছদের মুখ/ছিদ্র ক্রমশঃ বড় হতে থাকে। এটি যোনীমুখের একদম সামনের দিকে অবস্থিত। দুই পা সম্পুর্ণ ছড়িয়ে দিয়ে ছোট একটি আয়না সামনে রেখে আপনি এ পর্দটি নিজেই দেখতে পারেন।

যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে এটি নিছক একটি আংশিক আবরণকারী পর্দা এমনকি অনেক নারী এ পর্দা ছাড়াও জন্ম গ্রহন করেন অথবা সাঁতার, খেলাধুলা সহ দৈনন্দিন কাজ কর্মের ফলে এটি ছিড়ে যায়, তারপরও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ অঙ্গ এখনো নারীর স্বতীত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়– যা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন। ভারত এবং জাপানসহ বিশ্বের অনেক দেশে স্বতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন অস্ত্রপ্রচার (প্লাষ্টিক সার্জারী) খুব জনপ্রিয়।

স্বতীচ্ছদের কাজঃ– বাচ্চা বয়সে মেয়েদের যৌনাঙ্গকে সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করা। মাসিক ঋজঃচক্র শুরু হবার পর রক্তের স্বাভাবিক বহিঃর্গমন নিশ্চিত করা।

১. ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ

সাধারণত এই প্রকার স্বতীচ্ছদ সম্পুর্ন যৌননালীকে ঢেকে রাখে। এতে কোন প্রকার ছিদ্র থাকেনা, তাই ঋজঃচক্রের রক্ত বাহিরে আসেতে পারে না। ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ এটি সাধারনত কিশোরী বয়েসে পরিলক্ষিত হয়। যাইহোক, নতুন জন্মনেয়া মেয়ে শিশুর শাররীক পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে এই রোগ নির্নয় করা যায়।

এটা স্পষ্ট যে কিশোরীদের ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদ একটি জন্মগত রোগ, এবং ইপিথিলিয়াল কোষের (খাদ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখগহ্বর থেকে পায়ু পথ পর্যন্ত রাস্তার বাহিরের ঝিল্লী) কার্যকারীতা নষ্ট হবার কারনেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রদাহী কারনেও এ ধরনের সমস্যার কারন হতে পারে।

২। ছিদ্রহীন স্বতীচ্ছদের লক্ষণ:

• ঋতুঃ চক্রের রক্তস্রাব না হওয়া।
• তলপেটে ব্যাথা অনুভব করা।
• স্বতীচ্ছদের epithelial (খাদ্যযন্ত্র/খাদ্যনালী তথা মুখগহ্বর থেকে পায়ু পথ পর্যন্ত রাস্তার বাহিরের ঝিল্লী) কোষর অস্বাভাবিকতা; এর ফলে যৌনাঙ্গের ভিতরে রক্তপ্রবাহ উল্টোমূখী হতে পারে।
• প্রস্রাবে সমস্যা।
• যোনীমুখের বাহিরের দুটি ভাজে নীলাভ কিংবা লালছে পিন্ড দেখা যায়।
• কিছু ক্ষেত্রে কোষ্ঠবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়।


from Daily Bangla http://bit.ly/2IP9Rra


from DNAবাংলা http://bit.ly/2voQzAk

No comments