অনেকেই মনে করেন, মিথ্যা বলে সহজেই পার পাওয়া যাবে। কিন্ত সেটা একেবারেই ভুল ধারণা। কেননা, বিষয়টা যতটা সহজ বলে মনে হয়, ততটা নয়। আপনিও ধরে ফেলতে পারেন অনায়াসেই।
১. সরাসরি উত্তর এড়ানোর প্রবণতা। প্রশ্ন করুন সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে। দেখুন, তিনি সরাসরি উত্তর দিচ্ছেন কি না। এমনকী পাল্টা প্রশ্ন করার প্রবণতাও দেখা যায়। ধরা যাক, আপনি প্রশ্ন করলেন, ‘‘তুমি কি আমাকে ঠকাচ্ছ?’’ ঠকালে অনিবার্য উত্তর হবে, ‘‘কেন আমি ঠকাব? আমার তো তুমি আছ।’’ বুঝবেন, আপনার থেকে আড়াল করা হচ্ছে।
২. দ্বিতীয় লক্ষণ, এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে হোঁচট খাওয়া অনিবার্য। উত্তর দেওয়ার আগে নানাবিধ শব্দের অবতারণা করবেন দ্বিতীয়জন। ‘‘আঁআআ...’’, ‘‘মমম...’’-গোত্রের শব্দ শোনা যায় উত্তরের আগে।
৩. লক্ষ করুন, দ্বিতীয়জন সততা নিয়ে লম্বাচওড়া বক্তৃতা দিচ্ছেন কি না। কথায় কথায় সততা নিয়ে নানা প্রসঙ্গ উত্থাপন করা আর একটি লক্ষণ। অবচেতনে তাঁদের তাড়া করে বেড়ায় অপরাধবোধ।
৪. দোষারোপ মিথ্যাবাদীদের মজ্জাগত। সম্পর্কে কমিটমেন্ট নিয়ে যে কোনও প্রশ্ন এলে সঙ্গে সঙ্গে অন্যের ঘা়ড়ে দোষ চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
from Daily Bangla http://bit.ly/2DGtaz0
from DNAবাংলা http://bit.ly/2Vw7Nu9

No comments