Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

Recent

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে এয়ারটেল

সম্প্রতি আফ্রিকার বারকিনা ফাসো, শাদ, কঙ্গো ও সিয়েরা লিওনের ব্যবসা বিক্রি করে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নিতে যাচ্ছে ভারতী এয়ারটেল। আর্থিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী করতে তুলনামূলক দুর…



সম্প্রতি আফ্রিকার বারকিনা ফাসো, শাদ, কঙ্গো ও সিয়েরা লিওনের ব্যবসা বিক্রি করে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নিতে যাচ্ছে ভারতী এয়ারটেল। আর্থিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী করতে তুলনামূলক দুর্বল ও অলাভজনক ব্যবসায় ইউনিট বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ইউনিট বিক্রির বিষয়ে ইতোমধ্যে আরব আমিরাতভিত্তিক ইতিসালাত ও ফ্রান্সের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জের সঙ্গে আলোচনাও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ভারতের সিএনবিসি টিভি ১৮ এ খবর জানিয়েছে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতী এয়ারটেলের বাংলাদেশে ৪ হাজার এবং শ্রীলংকায় আড়াই হাজার টাওয়ার রয়েছে। এগুলো বিক্রি করে দিয়ে অন্য কোনো কোম্পানিকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এর আগে ২০১২ সালে একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলেও তাতে সফল হয়নি ভারতী এয়ারটেল। এছাড়া ২০১৪ সালের শুরুতেও একবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এয়ারটেল নিজেদের টাওয়ার নেটওয়ার্ক অবকাঠামো বিক্রি করে ২০ কোটি ডলার সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। সুনীল মিত্তালের মালিকানাধীন ভারতী আফ্রিকা ও বাংলাদেশে তাদের টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিক্রির জন্য আলাদা প্রস্তাবও পেয়েছিলেন বলে সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিলো ।

বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সেলফোন অপারেটর ভারতী এয়ারটেল বিনিয়োগ করে ২০১০ সালে। সে সময় ওয়ারিদ টেলিকমের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে প্রতিষ্ঠা করা হয় এয়ারটেল বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে ওয়ারিদের কাছে থাকা বাকি ৩০ শতাংশ শেয়ারও কিনে নেয় সিঙ্গাপুরে ভারতী এয়ারটেলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেল হোল্ডিংস লিমিটেড। বাংলাদেশে ব্যবসা বৃদ্ধির ব্যাপারে তারা আশাবাদী হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।

২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক প্রবৃদ্ধি ছিল ১০২ শতাংশ, ২০১১ সালে ৫২, ২০১২ সালে ১৭ ও ২০১৩ সালে দশমিক ২৭ শতাংশ। আর ২০১৪ সালে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ গ্রাহক কমে যায় প্রতিষ্ঠানটির। তবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এয়ারটেল বাংলাদেশের গ্রাহক বেড়েছে ১৬ শতাংশের বেশি। বর্তমানে দেশের ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটরের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যার ভিত্তিতে এয়ারটেল বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে এয়ারটেল বাংলাদেশের গ্রাহক সংখ্যা ৮৭ লাখ ৪৩ হাজার যা মার্কেট শেয়ারে ৭ শতাংশ মাত্র।

বাংলাদেশে এয়ারটেলের ব্যবসা বন্ধের বিষয়ে জানতে এয়ারটেলের গণমাধ্যম যোগাযোগ কর্মকর্তা শমিত মাহবুব শাহাবুদ্দিনের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করে কেটে দেন।


from Breaking Kolkata http://bit.ly/2GdCkDp


from DNAবাংলা http://bit.ly/2USjtav

No comments