
আমার সন্তানদের
ভীড় করে যদি জানতে চায় ওরা হিন্দু না মুসলিম ? তাদের কোন উত্তর নেই। এটা আমাকে
চিন্তায় ফেলে।বলিউড অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহের এই মন্তব্যের জেরে ভারত পাকিস্তান
বাক যুদ্ধ তুঙ্গে।
বলিউড অভিনেতার বিষ
ছড়ানো এই মন্তব্যের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ২3 ডিসেম্বরে বলেন"আমরা সংখ্যালঘুদের
সাথে কিভাবে আচরণ করবো মোদি সরকারকে দেখাবো ... এমনকি ভারতেও লোকেরা বলছে যে
সংখ্যালঘুরা সমান নাগরিক হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে না"।
ইমরান খানের এই
মন্তব্যের জেরে ময়দানে নেমে পড়েন AIMIM এর প্রধান আসাদউদ্দীন ওয়াইসি ।
প্রসঙ্গত, বলিউড তারকা অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহের মন্তব্যে পরিস্কার এবং তিনি
বলেছেন, তিনি তার সন্তানদের কোনও ধর্মীয় শিক্ষা দেননি । বস্তুত দেশের সব ধর্মের
মানুষ নিজের ধর্মের ওপর বিশ্বাসী ।এবং তারা নিজেদের ধর্ম পালন করেন ।নাসিরুদ্দিন
শাহ সেদিক থেকে কোনও ধর্মের মানুষদের থেকে সহানুভুতি পাচ্ছেন না । বিভিন্ন সামাজিক
মাধ্যমে এনেকে এও প্রশ্ন তুলেছেন যে , চাকরী থেকে শুরু বিভিন্ন সরকারী নথিতে এমনকি
সম্পত্তির দলিলে নাগরিককে জানাতে হয় তিনি কোন ধর্মের । শুধু তাই নয় দেশের জনগননায়
নাগরিককে সরকারকে বলতে হয় তিনি কোন ধর্মের ।
অতএব, সরকারকে জানানো এবং ধর্মীয় আচার
পালনের সময় যখন কোনও সমস্যা হয় না সেক্ষেত্রে এমন মন্তব্য কার্যত বিষ ছড়ানোর
নামান্তর ।শুধু তাই নয়, দক্ষিন এশিয়ায় ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে বহু ধর্ম ও বর্ণ এমনকি
পিছিয়ে পড়া শ্রেনীর মানুষ রাষ্ট্রপতি হয়েছেন । এমন দেশকে বিশ্বের কাছে ছোটো
করেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ । ইমরান খানের পাকিস্তান যে ভাবে অন্য দেশের নাগরীকের
মন্তব্য নিয়ে নাক গলাচ্ছেন তাতে পরিস্কার বিষ কতদূর ছড়িয়েছে । এমন পরিবেশে পাক
প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে টুইট করে ওয়াসি মনে করিয়ে লিখেছেন যে পাকিস্তান
সংবিধান কেবল মুসলিমকে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে অনুমোদন দেয়, অথচ ভারত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের
অনেক রাষ্ট্রপতিকে দেখেছে।এই মুহুর্তে খান সাহাব আমাদের কাছ থেকে কিছু শিখুন
রাজনীতি এবং সংখ্যালঘু অধিকার সম্পর্কে। "
No comments