Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

Recent

‘ একাকিত্ব আর কত দিন ? ’ ‘যৌন সম্পর্ক গড়ার’ বিনিময়ে থাকার বিজ্ঞাপন পত্রিকায় !

পশ্চিমা দেশগুলোতে এতটাই সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছে যে বিজ্ঞাপন দিয়ে নারীরা তাদের শয্যাসঙ্গী বা পুরুষ যৌনকর্মী খুঁজছে! বিজ্ঞাপনে তারা গরীব ও সুন্দর ছেলেদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছে। মাস বছর বা নির্দিষ্ট সমায়ের জন্য ওই সব প…

পশ্চিমা দেশগুলোতে এতটাই সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছে যে বিজ্ঞাপন দিয়ে নারীরা তাদের শয্যাসঙ্গী বা পুরুষ যৌনকর্মী খুঁজছে! বিজ্ঞাপনে তারা গরীব ও সুন্দর ছেলেদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছে। মাস বছর বা নির্দিষ্ট সমায়ের জন্য ওই সব পুরুষদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। যৌনতা নিয়ে নারীদের এমন প্রকাশ্যে আসায় বেশ বেকায়দায় পড়েছে দেশটির সরকার। 
কর্তৃপক্ষ বলছে, যেসব মাধ্যমে তারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুধু নারীরা নয়, ধনী পুরুষরাও সম্পদের লোভ দেখিয়ে গরীব নারীদের টানছে।
স্থানীয় দ্য লিভারপুল ইকো নামক একটি দৈনিক অনুসন্ধান করেছে যে, যুক্তরাজ্যের অনেক বাড়িওয়ালাই গরীব নারীদের  যৌন সম্পর্ক গড়ার বিনিময়ে বাড়িতে রাখছে। ঠিক উল্টোটা নারী বাড়িওয়ালাও করছেন।


তেমনি একজন ‘দেব’। তিনি এমিলিয়া নামে একজনকে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে পরিচয় করে দেন। ৪৮ বছর বয়সী এই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিজ্ঞাপন সাইট কজলিস্ট নামক একটি ওয়েবসাইটে ‘একজন সেক্সি নারী খুঁজছি’ শিরোনামে বিজ্ঞাপন দেন।
সেখানেই এমিলিয়ার সঙ্গে দেবের পরিচয় হয়। এখন তারা বাড়ি ভাগ করে থাকার সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন। দেব বলেন, ‘আমি এমিলিয়াকে পছন্দ করেছি, আমি আমার যৌন জীবনকে উপভোগ করছি।’
তিনি বলেন, ‘আমার জীবনটা ছন্নছাড়া। আমার কাছের কেউই এখন আমার সঙ্গে নেই। তাই বাড়ি শেয়ার করে যৌনতা উপভোগ করি।’
ওয়ালেসির বাসিন্দা ৪৭ বছর বয়সী মেরিও বিজ্ঞাপন দিয়ে শয্যাসঙ্গী খুঁজছেন। ইতোমধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে কথাও বলেছেন। তিনি বলেন, ‘সুন্দর ও গরীব ছেলে খুঁজছি। ভালো হলে তাকে জীবনসঙ্গী করতে পারি।’ 
মেরি বলেন, ‘একাকিত্ব আর কত দিন?’
তিনি আরও বলেন, ‘একজনকে পেয়েছি শিগগিরিই আমরা চুক্তি করবো। তবে একে অপরকে আগে পছন্দ করতে হবে।’
যুক্তরাজ্যের আইনে বাড়ি শেয়ার করার মাধ্যমে যৌনতাকে অপরাধ বলে গন্য করা হয়। এই অপরাধ প্রমাণ হলে তাকে সাত বছরের কারাবরণ করতে হবে। 
দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলছেন, এই অপরাধ বন্ধে ব্রিটিশ সরকার বদ্ধপরিকর। এসব ওয়েবসাইট বন্ধ করা হবে।
গরীব ব্রিটিশ বা বিদেশি নারী, পুরুষ কিংবা শিক্ষার্থীরা এসব প্রবঞ্চনায় খুব সহজেই পড়ছেন। তারা বলছেন, ‘যখন কোনো উপায় না থাকে তখন বাধ্য হয়েই এই কর্মে জড়িয়ে পড়তে হয়।’
পাউল নামক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বাড়িওয়ালা হয়তো আমাকে তার বিছানায় নেবে। আমাকে সেক্স করতে বাধ্য করবে। কিন্তু, বিনিময়ে তো আমি থাকার জায়গা পাবো!’ 
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দল লেবার পার্টির সংসদ সদস্য পিটার কেইল বলেন, এ ধরণের বিজ্ঞাপন ওয়েব সাইটের বিরুদ্ধে সংসদে আইন করে বন্ধ করা উচিত। সূত্র: ডেইলি মেইল

No comments