শুখা মরশুমে বন্ধের নোটিশ বাগান ছেড়ে চলে মুজনাই চা বাগান কতৃপক্ষ বড়দিনের দিন রাতে সাসপেন্স অফ ওয়ার্কস নোটিশ দিয়ে বাগান ছেড়ে চলে যায় বাগান কতৃপক্ষ এর ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়লো বাগানে কর্মরত 999 শ্রমিক পরিবারের ভবিষ্যৎ । এর আগে ও মুজনাই চা বাগান টি বন্ধ ছিল 2011 মার্চ মাসে বাগান টি খোলে । গতকাল রাতে ফের শ্রমিকদের অসহযোগিতা কারণ দেখিয়ে বাগান ছেড়ে চলে যায় কতৃপক্ষ । আজ সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে দেখতে পারে যে বাগানে কোনো ম্যানেজার নেই সবাই বাগান ছেড়ে চলে গিয়েছে । বাগানের শ্রমিকরা জানান যে গত সাতদিন থেকে আমরালক্ষ্য করছিলাম মালিকপক্ষ নানা টালবাহানা করছে এই বাগানের জিনিস অন্য বাগানে নিয়ে যাচ্ছে তা আমরা বাধা দিলে আমাদের কথা কোনো কিছু না শোনো বাগানের বীচন ইরিগেশন এর জিনিস গুলো এই মালিকের অন্য বাগানে নিয়ে যায় । অনেকে মতে এখন তিন চার মাস শুখা মরশুম এখন বাগানে প্রোডাকশন হবেনা বললেই চলে তাই ইচ্ছে করে বাগান ছেড়ে চলেগেছে কতৃপক্ষ । বাগানে কর্মরতশ্রমিকরা জানান যে বাগানে বহু সমস্যা আছে শ্রমিক আবাসন গুলো ঠিক নেই , মেডিকেল ফেসিলিটি নেই , আ্যম্বুলেন্স নেই শ্রমিকরা কোনো সূযোগ সুবিধা পায়না । শ্রমিকদের বক্তব্য আমরা এমন মালিক চাইনা যে প্রোডাকশন সময় বাগান খোলা রাখবে আর শুখা মরশুম যখন।প্রোডাকশন হবেনা তখন বাগান ছেড়ে চলে যাবে । শ্রমিকদের বক্তব্য সরকারের কাছে আমাদের দাবী বাগানে অন্য মালিক আসুক যে ভালো মত বাগান চলাবে এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি তথা তৃণমূলের চা বাগান সংগণ তৃণমূল চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহন শর্মা জানান খুবই দুঃখ জনক বিষয় । এই বিষয়ে শ্রম আধিকারিক ও জেলাশাসক সাথে কথা বলছি এবং ব্যবস্থা গ্ৰহণ করছি
শুখা মরশুমে বন্ধের নোটিশ বাগান ছেড়ে চলে মুজনাই চা বাগান কতৃপক্ষ বড়দিনের দিন রাতে সাসপেন্স অফ ওয়ার্কস নোটিশ দিয়ে বাগান ছেড়ে চলে যায় বাগান কতৃপক্ষ এর ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়লো বাগানে কর্মরত 999 শ্রমিক পরিবারের ভবিষ্যৎ । এর আগে ও মুজনাই চা বাগান টি বন্ধ ছিল 2011 মার্চ মাসে বাগান টি খোলে । গতকাল রাতে ফের শ্রমিকদের অসহযোগিতা কারণ দেখিয়ে বাগান ছেড়ে চলে যায় কতৃপক্ষ । আজ সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে দেখতে পারে যে বাগানে কোনো ম্যানেজার নেই সবাই বাগান ছেড়ে চলে গিয়েছে । বাগানের শ্রমিকরা জানান যে গত সাতদিন থেকে আমরালক্ষ্য করছিলাম মালিকপক্ষ নানা টালবাহানা করছে এই বাগানের জিনিস অন্য বাগানে নিয়ে যাচ্ছে তা আমরা বাধা দিলে আমাদের কথা কোনো কিছু না শোনো বাগানের বীচন ইরিগেশন এর জিনিস গুলো এই মালিকের অন্য বাগানে নিয়ে যায় । অনেকে মতে এখন তিন চার মাস শুখা মরশুম এখন বাগানে প্রোডাকশন হবেনা বললেই চলে তাই ইচ্ছে করে বাগান ছেড়ে চলেগেছে কতৃপক্ষ । বাগানে কর্মরতশ্রমিকরা জানান যে বাগানে বহু সমস্যা আছে শ্রমিক আবাসন গুলো ঠিক নেই , মেডিকেল ফেসিলিটি নেই , আ্যম্বুলেন্স নেই শ্রমিকরা কোনো সূযোগ সুবিধা পায়না । শ্রমিকদের বক্তব্য আমরা এমন মালিক চাইনা যে প্রোডাকশন সময় বাগান খোলা রাখবে আর শুখা মরশুম যখন।প্রোডাকশন হবেনা তখন বাগান ছেড়ে চলে যাবে । শ্রমিকদের বক্তব্য সরকারের কাছে আমাদের দাবী বাগানে অন্য মালিক আসুক যে ভালো মত বাগান চলাবে এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি তথা তৃণমূলের চা বাগান সংগণ তৃণমূল চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহন শর্মা জানান খুবই দুঃখ জনক বিষয় । এই বিষয়ে শ্রম আধিকারিক ও জেলাশাসক সাথে কথা বলছি এবং ব্যবস্থা গ্ৰহণ করছি

No comments