প্রেসকার্ড, নদীয়া :ভর সন্ধ্যায় বেড়াতে যেতে চাওয়ায় বাবা মা বাঁধা দেওয়ায় কেরোসিন তেল খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা তিন নবম শ্রেণীর ছাত্রীর।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সন্ধ্যায় নদিয়ার শান্তিপুর থানার বাবলা পঞ্চায়েতের দক্ষিণ পাড়ায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায় স্থানীয় দ্বারিকা নাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ওই তিন ছাত্রী সন্ধ্যার মুখে বাড়ির ছাদে গল্প করতে করতে সিদ্ধান্ত নেয় তারা বেড়াতে বেরোবে তখন। পরিবারের বড়ো রা বাঁধা দিলে না শুনেই তারা বেরোতে চাইলে একজন কে চড় মারেন তাদের অবিভাবক। এই ঘটনায় আত্মসন্মানী হয়ে নিচে ঘরে এসে তিন বন্ধুই এক সাথে ঘরে থাকা কেরোসিন তেল খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের লোকেরা হটাৎ ই তাদের অসুস্থ হয়ে পড়ায় জানতে পারেন কেরোসিন তেল খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে তিন জন ই। তড়িঘড়ি তাদের শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় তিনজন ই চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানান প্রাণহানির কোনো আশঙ্কা নেই।
কিন্তু এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে সামান্য কোনো বিষয়ে অভিভাবকরা কোনো শাসন করতে পারবেন না কিশোর কিশোরীদের? এই ঠুনকো আত্মসম্মান বোধ কি কোনো মানসিক বিকার? না কি সোশ্যাল মিডিয়ার কুফল? চতুর্দিকে যখন একেরপর এক ঘটনায় বারবার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে মূলত কিশোরীরা সেখানে সামান্য শাসন যদি অভিভাবকরা করতে না পারেন তাহলে কোথায় যাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম!

No comments