প্রেসকার্ড
নিউজ বিনোদনঃ যমজ বাচ্চা কেন হয়? এ নিয়ে
মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সাধারণত যমজ বাচ্চাদের এক রকম দেখতে হয়। আবার এমনও হয়
যে, মুখ দেখে বোঝাই যায় না যমজ।এটা সকলেরই জানা যে, স্ত্রী দেহের ডিম্বাণু ও পুরুষের শুক্রাণুর মিলনে তৈরি হয়
ভ্রূণ। প্রতি ঋতুচক্রে নারী শরীরে একটি ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। কিন্তু কখনও কখনও দুটি
ডিম্বাণুও উৎপন্ন হতে পারে। প্রায় একই সময়ে উৎপন্ন হওয়া দুটি ডিম্বাণু থেকে যমজ
বাচ্চাদের উৎপত্তি হয়ে থাকে। না, শুধু
এটাই কারণ নয়, একটি ডিম্বাণু ভেঙে দুটি হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও যমজ
বাচ্চা জন্ম হতে পারে।
এ
ব্যাপারে চিকিৎসক অরুণকুমার মিত্র তাঁর ‘কন্যা, জায়া
ও জননী’ গ্রন্থে যমজের বিভিন্নতা সম্পর্কে আলোচনা করে বলেছেন সাধারণ দুটি
ঊর্বর ডিম্বাণু থেকে ভিন্নধর্মী যমজের উৎপত্তি। এদের আকৃতি ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
গায়ের রং, চোখ বা চুলের রং-ও আলাদা হয়। তবে উভয়ের রক্ত ভিন্নধর্মী নাও হতে
পারে। এই দুটি ভিন্ন ভ্রূণঝিল্লিতে অবস্থান করে এবং স্বতন্ত্র ফুল থেকে পুষ্টির
সরবরাহ পায়। সাধারণত এসব যমজের একটি হয় ছেলে এবং একটি হয় মেয়ে।
আর অভিন্নধর্মী যমজ বাচ্চাদের উৎপত্তি একটি ডিম্বাণু থেকে। এই
ডিম্বাণু স্বাভাবিক ঊর্বরতা লাভের পর দুটি সমান ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি ভ্রুণের
সৃষ্টি করে। এটি একটি ভ্রূণ-ঝিল্লির মধ্যে দু’ভাগে অবস্থিত থাকে এবং দুটি ভ্রুণ একটি ফুল থেকেই অক্সিজেন ও
অন্যান্য পুষ্টি গ্রহণ করে। অনেক সময় এদেরও দেহের গঠন, মুখাবয়ব, চুল বা চোখের রং হয় একই রকম।
রক্তের গ্রুপ হয় সম-চরিত্রের, একজনের চামড়া কেটে অন্যের গায়ে লাগালে তা নিজের চামড়ার মতোই
আচরণ করে।
(ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

No comments